—প্রতীকী চিত্র।
বাংলাদেশ-মায়ানমার সম্পর্ক উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি এতটাই ঘোরালো যে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। মায়ানমারের অভিযোগ, বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে দেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলি তাদের সেনাবাহিনীর উপরে হামলা চালিয়েছে। বার বার বলা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অন্তবর্তিকালীন সরকার কোনও পদক্ষেপ করছে না।
দু’দেশের সম্পর্কের অবনতির সূত্রপাত দিন দশ-পনেরো আগে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। মায়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং কয়েকটি সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী মিলে বাংলাদেশে লাগোয়া এলাকায় মায়ানমার সেনাবাহিনীর উপরে ড্রোন হামলা চালায়। মায়ানমারের জুন্টা সরকারের অভিযোগ, বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করেই ওই হামলা চালানো হয়েছে। তাতে মায়ানমার সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন সেনা হতাহত হয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে মায়ানমারের জুন্টা সরকার নেপিদোতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনকে তলব করে তীব্র প্রতিবাদ জানায় এবং সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তোলে। বিষয়টি বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তিকালীন সরকারকেও অবহিত করা হয় এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।
সূত্রের খবর, ঢাকার থেকে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় মায়ানমার বাংলাদেশ ভূখণ্ডে সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি বিবেচনা করছে। বিশেষ করে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে বিমান হামলার পরিকল্পনা রয়েছে। সূত্রের খবর, নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর মায়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভিতরে সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে।
দিন দুয়েক আগে ভারত বাংলাদেশে হাই কমিশন-সহ বিভিন্ন কেন্দ্র কর্মরত আধিকারিকদের পরিবারকে দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছিল। জানিয়েছিল, সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ওই সিদ্ধান্ত। অনেকেই মনে করছেন, বাংলাদেশ-মায়ানমার সংঘাতের সম্ভাবনা ঘনীভূত হতেই ওই পদক্ষেপ করেছে নয়াদিল্লি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে