Strait of Hormuz

হরমুজ় প্রণালী সচল রাখতে জোট বাঁধছে ইউরোপের দেশগুলি! ইরানের পদক্ষেপের নিন্দা করে যৌথবিবৃতিতে সই জাপানেরও

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করা হয়েছে বিবৃতিতে। আহ্বান, অবিলম্বে হরমুজ় প্রণালীতে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন হামলা বা জলপথে মাইন পুঁতে রাখার মতো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা উচিত!

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬ ১১:২৭
Share:

হরমুজ় প্রণালী। — ফাইল চিত্র।

হরমুজ় প্রণালী সচল করতে জোট বাঁধছে ইউরোপীয় দেশগুলি! ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি-সহ ইউরোপীয় দেশগুলি এক যৌথবিবৃতি দিয়েছে হরমুজ় নিয়ে। সেই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, হরমুজ় প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজগুলির নিরাপদে যাতায়াত নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় যোগ দিতে প্রস্তুত তারা। বিশ্ব জুড়ে জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল করতে পদক্ষেপ করবে। শুধু ইউরোপীয় দেশগুলি নয়, জাপানও এই যৌথবিবৃতিতে সই করেছে।

Advertisement

পারস্য উপসাগরে নিরস্ত্র পণ্যবাহী জাহাজগুলির উপরে ইরানের ‘হামলা’র নিন্দা জানানো হয়েছে বিবৃতিতে। বলা হয়েছে, ‘‘আমরা পারস্য উপসাগরে নিরস্ত্র বাণিজ্যিক জাহাজের উপরে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানাই।’’ পাশাপাশি, তেল বা গ্যাসের পরিকাঠামোগুলির উপরে ইরানের হামলা এবং হরমুজ় প্রণালী আংশিক ভাবে অবরুদ্ধ করে দেওয়ার পদক্ষেপেরও সমালোচনা করা হয়েছে।

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করা হয়েছে বিবৃতিতে। আহ্বান, অবিলম্বে হরমুজ় প্রণালীতে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন হামলা বা জলপথে মাইন পুঁতে রাখার মতো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা উচিত! বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি। ইরানের পদক্ষেপের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের উপর পড়ছে।’’

Advertisement

জ্বালানি সঙ্কটের প্রভাব পড়েছে ইউরোপের বিভিন্ন প্রান্তে। বিবৃতিতে তা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘‘হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ চেষ্টা করতে প্রস্তুত আমরা। যে সব দেশ এই প্রস্তুতিমূলক পরিকল্পনায় রয়েছে, তাদের স্বাগত জানাই।’’

হরমুজ় প্রণালীর উত্তরে ইরান এবং দক্ষিণে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। এই প্রণালী পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। পারস্য উপসাগরের উপকূলে রয়েছে— সৌদি আরব, কাতার, বাহরিন, কুয়েত, ইরাক। প্রতিটি দেশই অপরিশোধিত তেলের খনি। এই দেশগুলি থেকে বিশ্বের নানা প্রান্তে তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানি করা হয়। রফতানির প্রধান পথ হরমুজ়। তবে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, হরমুজ় দিয়ে কোনও জাহাজ চলাচল করতে দেওয়া হবে না!

হরমুজ় প্রণালী দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হয়। তবে আমেরিকা প্রথম থেকেই দাবি করছে, তারা হরমুজ় মুক্ত করবেই। প্রয়োজনে নৌবাহিনী পাঠিয়ে জাহাজগুলিকে নিরাপত্তা দিয়ে হরমুজ় পার করাবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ জন্য অন্য দেশের সাহায্যও চেয়েছিলেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement