Shelly Kittleson

মার্কিন সাংবাদিককে অপহরণ করেও পালাতে পারল না ইরাকি জঙ্গিরা, পুলিশের তাড়া খেয়ে উল্টে গেল গাড়ি

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, বাগদাদের আল-সাদুন স্ট্রিটের কাছে বাগদাদ হোটেলের সামনে থেকে দু’জন অজ্ঞাতপরিচয় পুরুষ অপহরণকারী শেলিকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিয়ো ফুটেজও প্রকাশ করেছে বাগদাদ পুলিশ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬ ০০:৩৮
Share:

মার্কিন সাংবাদিক শেলি কিটলসন। ছবি: সংগৃহীত।

একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কারজয়ী মার্কিন সাংবাদিক শেলি কিটলসনকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে অপহরণ করা হয়েছিল মঙ্গলবার বিকেলে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে উদ্ধার করলেন ইরাকি গোয়েন্দারা। গ্রেফতার করা হল এক অপহরণকারীকে।

Advertisement

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, বাগদাদের আল-সাদুন স্ট্রিটের কাছে বাগদাদ হোটেলের সামনে থেকে দু’জন অজ্ঞাতপরিচয় পুরুষ অপহরণকারী শেলিকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিয়ো ফুটেজও প্রকাশ করেছে বাগদাদ পুলিশ। সন্ত্রাসবাদী সংগঠন ‘আইএস এবং আল কায়দা বিশেষজ্ঞ’ হিসাবে পরিচিত ওই মহিলা সাংবাদিক ইরাকের মাটিতে সক্রিয় ইরানপন্থী জঙ্গিদের গতিবিধি অনুসন্ধান করছিলেন। যুদ্ধপরিস্থিতিতে তাই তাঁর প্রাণসংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই।

কিন্তু ইরাকের পুলিশ আমেরিকায় গোয়েন্দাদের সহায়তায় দ্রুত অপহরণকারীদের চিহ্নিত করে ফেলতে সক্ষম হয়। ইরাকের স্বরাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, একটি চেকপোস্টের কাছে অপহরণকারীদের গাড়িটিকে তাড়া করে নিরাপত্তাবাহিনী। পালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। ওই গাড়িটিতেই ছিলেন শেলি। তাঁকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। গ্রেফতার করা হয় গাড়িতে থাকা এক অপহরণকারীকে। তিনি ইরানপন্থী কোনও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন হামলার পরে তেহরান-সমর্থক শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস’ (পিএমএফ) এবং আশাব আল-কাহ্‌ফ ইরাকে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে বেশ কয়েক বার হামলা চালিয়েছে। শেলি দীর্ঘ দিন ধরে সিরিয়া, ইরাক-সহ পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশ এবং আফগানিস্তানে যুদ্ধ পরিস্থিতি রিপোর্ট করছেন। তিনি ইরাকে গিয়েছিলেন ইরানের উপর মার্কিন-ইজ়রায়েলের সাম্প্রতিক হানাদারি কভার করতে। ইতিমধ্যেই ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকে নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন লিখেছেন তিনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement