জেফ্রি এপস্টিন। —ফাইল চিত্র।
যৌন অপরাধী ও আমেরিকান ধনকুবের জেফ্রি এপস্টিনের মৃত্যুর এক মাস আগে লেখা বলে একটি ‘সুইসাইড নোট’ প্রকাশ করা হয়েছে। নোটে লেখা আছে, ‘নিজের বিদায়ের সময় নিজে বেছে নিতে পারা এক ধরনের স্বস্তি’।
এপস্টিনের সঙ্গে জেলে এক ঘরেই থাকত মাদকপাচারে অভিযুক্ত ও চারটি খুনের মামলায় অভিযুক্ত প্রাক্তন পুলিশকর্মী নিকোলাস তার্তালিয়োন। ২০১৯-এর জুলাই মাসে জেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল এপস্টিন। তার্তালিয়োনের দাবি, তখনই একটা বইয়ের মধ্যে সে হাতে লেখা ওই সুইসাইড নোট পেয়েছিল। এই নোট লেখার এক মাস পরে কারাগারের কক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় এপস্টিনকে। যৌন পাচারের মামলার বিচারের অপেক্ষায় থাকাকালীনই তার মৃত্যু হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের দাবি, সে আত্মহত্যা করেছিল।
বুধবার আমেরিকার এক বিশেষ আদালতের বিচারপতির নির্দেশে হাতে লেখা এই চিরকুটটি জনসমক্ষে আনা হয়েছে। তবে চিরকুটের হাতের লেখা এপস্টিনের-ই কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনও মন্তব্য করেননি। সাত লাইনের এই নোটে লেখা রয়েছে, “নিজের বিদায়ের সময় নিজে বেছে নিতে পারা এক ধরনের স্বস্তি। ...তোমরা চাও আমি ভেঙে পড়ে কাঁদি!... এতে কোনও মজা নেই— এর কোনও মূল্যই নেই।” নোটে একটি তদন্তের কথাও উল্লেখ করে বলে হয়েছে, ‘কিছুই পাওয়া যায়নি’। কোন মামলার তদন্ত তা বলা না হলেও লেখা হয়েছে, “ওরা আমাকে এক মাস ধরে তদন্ত করেছে— কিছুই পায়নি!”
এপস্টিনের লেখা বলে দাবি করে আদালতে পেশ করা ওই চিরকুটটি তার্তালিয়োনের একটি মামলায় বিশেয নথি হিসেবে সিল করে রাখা হয়েছিল। এক সময়ে এপস্টিন অভিযোগ করেছিল যে তার্তালিয়োন তাকে আক্রমণ করেছিল। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করে প্রাক্তন পুলিশকর্মী। গত বছর একটি পডকাস্টে প্রথম ওই নোটের কথা জানায় তার্তালিয়োন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে