অনুব্রত মন্ডল। ফাইল চিত্র।
শত অনুরোধ, অভিমানেও মন গলল না বোলপুর পুরসভার ভোটারদের। ২০২৬-এ আবার বোলপুরে জিতলেও আবার পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডে বিজেপির থেকে পিছিয়ে রইল তৃণমূল। আবারও চন্দ্রনাথ সিংহ ও অনুব্রত মণ্ডলের ওয়ার্ডে বিজেপির থেকে পিছিয়ে থাকল তৃণমূল। এ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিরোধীরা। ফল বিশ্লেষণ করে কারণ বোঝা যাবে বলে দাবি তৃণমূলের।
২১-এর বিধানসভা নির্বাচন ও ২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বোলপুর পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডে বিজেপির থেকে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। তাই এ বার বোলপুর শহরের প্রতিটি ওয়ার্ড ধরে নির্বাচনী জনসভা করেছিলেন অনুব্রত। উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রনাথও। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুব্রত শহরবাসীর কাছে বার বার অনুরোধ করেছিলেন অন্তত এ বারের ভোটে শহর থেকে লিড দেওয়ার জন্য। একই ভাবে অনুরোধ করেন চন্দ্রনাথও। তার পরেও পুরসভার ২২টি মধ্যে ২০টিতে এ বারও বিজেপির থেকে পিছিয়ে গেল তৃণমূল।
চন্দ্রনাথের বাড়ি ২১ নম্বর ওয়ার্ডে। সেখানে ১৩৬টি ভোটে পিছিয়ে তৃণমূল। অনুব্রতের বাড়ি ২২ নম্বর ওয়ার্ডে। সেখানে ১,৪৯৬ ভোটে বিজেপির থেকে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। বোলপুর পুরসভার পুরপ্রধান পর্ণা ঘোষের ১২ নম্বর ওয়ার্ডেও ২৬৬ ভোটে হেরেছে তৃণমূল। সব মিলিয়ে ২০টি ওয়ার্ডে বিজেপি ১৬,৮২২ ভোটে তৃণমূলের থেকে এগিয়ে যায়। অন্য দিকে, বোলপুর শহরে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৫২ ভোটে এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৯২১ ভোটে বিজেপির থেকে এগিয়ে তৃণমূল।
এত চেষ্টার পরেও কেন আবার শহরে বিজেপি থেকে পিছিয়ে গেল তৃণমূল? বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, “ওদের নেতা-মন্ত্রীরা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে নিজেদের উন্নয়ন করেছে। সাধারণ মানুষের সমস্যা ও অভাব-অভিযোগের দিকে নজর দেয়নি।” সিপিএমের জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, “দীর্ঘদিন জোর করে নির্বাচন না করিয়ে ক্ষমতা দখলের ফল এটি। তাই মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলা যায়।” চন্দ্রনাথের আক্ষেপ, “শহরের ভোট ফেরানোর জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ফল ভাল হয়নি। কেন এমন হল তা পরে বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।”
রোগীদের পাশে
সাঁইথিয়া: সাঁইথিয়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালের পরিস্থিতি খোঁজ নিতে এলেন সদ্য নির্বাচিত সাঁইথিয়ার বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণকান্ত সাহা। বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে এসে তিনি চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে রোগীদের সঙ্গেও দেখা করেন। কৃষ্ণকান্ত বলেন, “প্রতিনিধি হিসাবে রোগীদের পাশে দাঁড়াব। ঠিকমতো পরিষেবা পাওয়ার ব্যবস্থা করব।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে