আটক হওয়া সেই জাহাজ। ছবি: রয়টার্স।
মার্কিন বাহিনীর হাতে আটক ইরানের পতাকা লাগানো একটি জাহাজ। এমনই দাবি করেছে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তাদের দাবি, জলপথে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরানের বন্দরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল সেটি। জাহাজটিকে সতর্ক করে পারস্য উপসাগরে মোতায়েন মার্কিন রণতরী ইউএসএস রাফেল। সেন্টকমের দাবি, সেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করতেই সতর্ক করা হয়। তার পরই আটক করা হয় জাহাজটিকে।
সেন্টকম তাদের এক্স হ্যান্ডলে সেই জাহাজের একটি ছবি পোস্ট করে। ওই পোস্টে লেখা হয়, ২৪ এপ্রিল ইরানের একটি জাহাজকে আটক করা হয়েছে। সেটি ইরানে ঢোকার চেষ্টা করছিল। তখনই আটকানো হয়। প্রসঙ্গত, এপ্রিলের শুরু থেকেই হরমুজ়ের দু’পাশের জলপথকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে মার্কিন বাহিনী। যার জেরে ইরানে কোনও জাহাজ ঢুকতেও পারছে না। আবার ইরানের কোনও বন্দর ছেড়ে বাইরেও যেতে পারছে না সেগুলি। যে ক’টি জাহাজ ওই জলপথ হয়ে প্রবেশ করার বা বার হওয়ার চেষ্টা করেছে, সবক’টিকে আটকে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী।
প্রসঙ্গত, হরমুজ় হয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল এবং গ্যাস সরবরাহ হয়। কিন্তু সামরিক সংঘাতের জেরে হরমুজ় অবরুদ্ধ করে ইরান। পরে তাদের বাণিজ্যকে চাপে ফেলতে আমেরিকা পাল্টা অবরুদ্ধ করার পথে হাঁটে। হরমুজের দু’পাশের জলপথ অবরুদ্ধ করে রেখেছে তারা। ইসালামাবাদে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তিবৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান। তার মধ্যেই শুক্রবার ইরানের একটি জাহাজকে আটক করার দাবি করল মার্কিন বাহিনী। যদিও ইরানের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।