US Drone Disappears over Hormuz

পারস্য উপসাগরে ভেঙে পড়েছে এমকিউ-৪সি ট্রিটন ড্রোন! স্বীকার আমেরিকার, কী ভাবে, কোথায় ভেঙে পড়েছে স্পষ্ট করেনি তারা

প্রসঙ্গত, সামরিক সংঘাত চলাকালীন গত ৯ এপ্রিল হরমুজ় প্রণালীর উপর থেকে এই ট্রিটন ড্রোন গায়েব হয়ে গিয়েছিল। তার পর থেকেই জল্পনা জোরালো হচ্ছিল ইরানের হামলায় ড্রোনটি ধ্বংস হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ১১:২১
Share:

মার্কিন এমকিউ ৪সি ট্রিটন ড্রোন। ছবি: সংগৃহীত।

আমেরিকার সবচেয়ে ব্যয়বহুল ড্রোনের অন্যতম এমকিউ-৪সি ট্রিটন ভেঙে পড়েছে পারস্য উপসাগরে। অবশেষে ড্রোন ভেঙে পড়ার কথা স্বীকার করল তারা। তবে কী ভাবে ভেঙে পড়ল এবং ঠিক কোথায় তা ভেঙে পড়েছে, তা নিয়ে কিন্তু স্পষ্ট কোনও মন্তব্য করেনি আমেরিকা।

Advertisement

মার্কিন ন্যাভাল সেফ্‌টি কমান্ড জানিয়েছে, গত ৯ এপ্রিল এমকিউ-৪সি ট্রিটন ড্রোন ভেঙে পড়েছিল। এই ঘটনাটিকে ‘ক্লাস এ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ়-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড্রোন ভেঙে পড়ার বিষয়টি ‘ক্লাস এ’ বলে উল্লেখ তখনই করা হয় যখন ২৫ লক্ষ ডলারের বেশি মূল্যের কোনও যুদ্ধবিমান বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়। ঘটনাচক্রে, ট্রিটন ড্রোন মার্কিন অস্ত্রভান্ডারে অন্যতম দামি ড্রোন। যার একটি তৈরিতে খরচ হয় ২৪০-২৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার।

প্রসঙ্গত, সামরিক সংঘাত চলাকালীন গত ৯ এপ্রিল হরমুজ় প্রণালীর উপর থেকে এই ট্রিটন ড্রোন গায়েব হয়ে গিয়েছিল। তার পর থেকেই জল্পনা জোরালো হচ্ছিল ইরানের হামলায় ড্রোনটি ধ্বংস হয়েছে। যদিও আমেরিকা সেই তথ্যকে খণ্ডন করেছে। তার পর এক সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। অবশেষে মার্কিন বাহিনী স্বীকার করল যে, ড্রোনটি পারস্য উপসাগরে ভেঙে পড়েছে। একটি দুর্ঘটনা বলেই দাবি করা হয়েছে। কিন্তু আমেরিকার এই দাবির পরেও ধোঁয়াশা কাটছে না। কারণ, ফ্লাইটরেডার২৪-এর তথ্য বলছে, ড্রোনটি ইরানের দিকে সামান্য বাঁক নিয়েছিল। ঠিক তখনই জরুরি বার্তা যায় সেটি থেকে। ৭৭০০ কোড পাঠানো হয় ড্রোন থেকে (যেটি জরুরি ভিত্তিতে অবতরণের জন্য সঙ্কেত)। তার পরই সেটি অবতরণ করতে শুরু করে। কিন্তু একটু পরেই সেটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। হরমুজ়ের উপরে শেষ বার দেখা গিয়েছিল ড্রোনটিকে।

Advertisement

উপসাগরীয় অঞ্চলে নজরদারি চালানোর জন্য মার্কিন সেনার এই ড্রোনকে মোতায়েন করা হয়েছিল। এই ড্রোন টানা উড়তে পারে। হরমুজ় কোথায় কোথায় অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে, তা নিয়ে নজরদারি চালাতে কাজে লাগানো হয়েছিল এই ড্রোনটিকে। ৫০ হাজার ফুট উচ্চতা দিয়ে উড়তে সক্ষম এই ড্রোন। ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় টানা উড়তে পারে। বেশ কয়েকটি সাংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের তথ্য বলছে, আমেরিকার হাতে ২০টি ট্রিটন ড্রোন রয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement