US Nuclear Weapons

ইউরোপে আরও পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন করা নিয়ে আলোচনা চলছে আমেরিকায়! রাশিয়াকে চাপে রাখতে কৌশলী ভাবনা?

যে দেশগুলিতে পরমাণু অস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা চলছে, সেগুলির সবই ইউরোপের পূর্ব প্রান্তে। অর্থাৎ, রাশিয়ার সংলগ্ন বা কাছাকাছি দেশ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ ১১:৩৯
Share:

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।

আরও কয়েকটি ইউরোপীয় দেশে পরমাণু অস্ত্র মোতায়েনের কথা চিন্তাভাবনা করেছে মার্কিন প্রশাসন। এখন ইউরোপের ছ’টি দেশে আমেরিকার যুদ্ধবিমান রাখা আছে। ওই বোমারু বিমানগুলি পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। মার্কিন আধিকারিক সূত্রে ‘ফিনান্সিয়াল টাইম্‌স’ জানাচ্ছে, এ বার আরও কয়েকটি ইউরোপীয় রাষ্ট্রে পরমাণু অস্ত্র মোতায়েনের কথা আলোচনা করছে আমেরিকা।

Advertisement

আমেরিকার পরমাণু অস্ত্র যে ইউরোপীয় দেশগুলিতে মোতায়েন রয়েছে, তারা প্রত্যেকেই নেটোর সদস্য। নতুন করে আরও কয়েকটি নেটো সদস্য দেশে তা মোতায়েনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে ওই দেশগুলিতে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম যুদ্ধবিমানও মোতায়েনের কথা ভাবা হচ্ছে। রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, প্রাথমিক আলোচনায় ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন মার্কিন আধিকারিকেরা। তবে এখনই এই বিষয়ে চুক্তি হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই দাবি ওই সূত্রের।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোল্যান্ড এবং বাল্টিক অঞ্চল (এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়াকে একত্রে এই নামে ডাকা হয়) কিছু অঞ্চলে এগুলি মোতায়েনের কথা ভাবা হচ্ছে। আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট নেটোর অভ্যন্তরীণ বৈঠকেও এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে খবর। তবে হোয়াইট হাউস, পেন্টাগন বা নেটোর তরফে এ বিষয়ে কোনও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Advertisement

উল্লেখ্য, যে দেশগুলিতে পরমাণু অস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা চলছে, সেগুলির সবই ইউরোপের পূর্ব প্রান্তে। অর্থাৎ, রাশিয়ার সংলগ্ন বা তার কাছাকাছি দেশ। নেটোর সদস্য এই দেশগুলিতে পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন করে কি রাশিয়াকে চাপে রাখতে চাইছে আমেরিকা? এমন প্রশ্নও ইতিমধ্যে উঁকি মারতে শুরু করেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে আমেরিকা দৃশ্যত পরোক্ষ ভাবে ইউক্রেনকে সমর্থন জুগিয়ে গিয়েছে। মাঝে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্কে চাপানউতর সৃষ্টি হলেও পরে তা আবার মসৃণও হয়ে গিয়েছে। ইউরোপীয় বন্ধুদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে গিয়ে বৈঠকও করেছেন জ়েলেনস্কি। এ অবস্থায় মার্কিন প্রশাসনের এমন পরিকল্পনা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement