Sushmita Sen

‘আমার খরচ সুস্মিতাই চালাত’, সম্পর্ক ভাঙার পরেও অভিনেত্রীর সঙ্গে কোন সমীকরণের কথা প্রকাশ্যে আনলেন ললিত?

ললিত জানান, সুস্মিতা লোভী নন। বরং তিনিই নাকি সুস্মিতার মতো মেয়েকে দেখে ‘ডায়মন্ড ডিগার’ হয়ে গিয়েছিলেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ ১২:২১
Share:

(বাঁ দিকে) ললিত মোদী, (ডান ডিকে) সুস্মিতা সেন। ছবি: সংগৃহীত।

২০২২ সালের জুলাই মাসে হঠাৎই এক ‘বিস্ফোরক’ খবর ছড়িয়ে পড়ে। সুস্মিতা সেনের সঙ্গে একগুচ্ছ ছবি ভাগ করে নেন শিল্পপতি ললিত মোদী। সেখানে সুস্মিতাকে সরাসরি ‘জীবনসঙ্গিনী’র তকমা দিয়ে বসেন। দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে সেই খবর। পরে যদিও তার পাল্টা লম্বা আর একটি পোস্ট করেন সুস্মিতা। সেখানে রসিকতা করে নিজেকে ‘ডায়মন্ড ডিগার’ও বলেন। পরে নিজেকে ‘সিঙ্গল’ বলেও ঘোষণা করেন। এ বার সুস্মিতার সঙ্গে কাটানো দিনগুলির কথা মনে করলেন ললিত। জানালেন, সুস্মিতাই নাকি তাঁর সব খরচ চালাত।

Advertisement

শিল্পপতি ও প্রাক্তন আইপিএল কর্তার সঙ্গে অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ফাঁস হতেই ধেয়ে আসে কটাক্ষ। সমাজমাধ্যমে রীতিমতো হেনস্থার শিকার হন অভিনেত্রী। অনুরাগীরাই তাঁকে ‘গোল্ড ডিগার’ বা ‘ডায়মন্ড ডিগার’ (টাকার লোভী)-এর তকমা দেন। যদিও সেই সময়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেননি সুস্মিতা। মাঝে একবার বলেছিলেন, ‘‘এটা ভাল লাগে যে ‘গোল্ড ডিগার’ শব্দের যথার্থ ব্যবহার করা হয়েছে আমার উপর দিয়ে।’’ তবে সুস্মিতাকে লোভী বলতে নারাজ ললিত। তিনি জানান, সুস্মিতার টাকার লোভ নেই। বরং তিনিই নাকি সুস্মিতার মতো মেয়েকে দেখে ‘ডায়মন্ড ডিগার’ হয়ে গিয়েছিলেন।

ললিত মোদী ও সুস্মিতা সেন। সংগৃহীত।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীর সম্পর্কে সিলমোহর দিয়ে ললিত জানান, সুস্মিতার খরচ কাউকে সামলাতে হয় না। ললিতের কথায়, ‘‘সুস্মিতাকে লোক ‘ডায়মন্ড ডিগার’ কেন বলছে? সত্যি বলতে, ওর কাছে এত হিরে আছে, যা আগে আমি কারও কাছে দেখিনি। ওর হিরের ব্যবসা রয়েছে। জীবনে যা করছে, নিজে করছে। আমি সুস্মিতার জন্য এক টাকাও কখনও খরচ করিনি। বরং ও করেছে। আমার যাবতীয় খরচ ও-ই চালাত। আসলে আমার ভরণপোষণের দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছিল সুস্মিতা। ও এমন একজন মানুষ যে, কারও থেকে কিছু আশা করে না।’’ শোনা যায়, তাঁদের সম্পর্ক ভেঙেছে বেশ কয়েক বছর আগেই। দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন ললিত, সুস্মিতা অবশ্য এখনও ‘সিঙ্গল’।

Advertisement

ললিত স্পষ্ট করেই জানান যে, তিনি সুস্মিতার নামে কোনও কুকথা শুনতে নারাজ। কারণ, সুস্মিতা চাইলে যে কোনও পুরুষকে নিজের সঙ্গী হিসাবে পেতে পারে। শেষে ললিতের সংযোজন, ‘‘কিন্তু, ও মানুষটাই এমন যে, আমিই যেন লোভী হয়ে পড়েছিলাম।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement