Nipah Virus

নিপায় মৃত্যু বাংলাদেশে! তবে নতুন আক্রান্তের কোনও খোঁজ নেই, জানাল হু

হু জানিয়েছে, মৃত মহিলার বয়স ৪০-৪৫ বছরের মধ্যে। জ্বর, মাথাব্যথা, খিঁচুনি— নিপা ভাইরাস সংক্রমণের এ ধরনের লক্ষণ নিয়ে গত ২১ জানুয়ারি ওই মহিলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:১৪
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু! এমনই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। তারা জানিয়েছে, উত্তর বাংলাদেশের এক মহিলার মৃত্যুর নেপথ্যে রয়েছে ওই ভাইরাস। গত মাসে এই মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে। তবে তার পরে এখনও পর্যন্ত নতুন করে নিপা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর মেলেনি।

Advertisement

হু জানিয়েছে, মৃত মহিলার বয়স ৪০-৪৫ বছরের মধ্যে। জ্বর, মাথাব্যথা, খিঁচুনি— নিপা ভাইরাস সংক্রমণের এ ধরনের লক্ষণ নিয়ে গত ২১ জানুয়ারি ওই মহিলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তবে তাঁর অবস্থার ক্রমশ অবনতি হয়। এক সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় ওই মহিলার।

কী ভাবে নিপায় আক্রান্ত হলেন ওই মহিলা? হু-র তরফে জানানো হয়েছে, ওই মহিলার কোনও ভ্রমণের ইতিহাস নেই। তবে আক্রান্ত হওয়ার দিন কয়েক আগে খেজুরের রস খেয়েছিলেন। চিকিৎসকদের অনুমান, খেজুরের রস থেকেই ভাইরাস ছড়িয়ে থাকতে পারে তাঁর শরীরে। ওই সময়ের মধ্যে ওই মহিলা কার কার সংস্পর্শে এসেছিলেন, তার খোঁজও চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে ওই খেজুরের রস আর যাঁরা খেয়েছেন, তাঁদের উপর নজরদারি চালাচ্ছে সংশ্লিষ্ট দফতর।

Advertisement

জানুয়ারি মাসেই পশ্চিমবঙ্গের বারাসতের দু’জন নার্স নিপায় আক্রান্ত হন। বর্তমানে তাঁরা সুস্থ। একই সঙ্গে লাগাতার সচেতনতার বার্তা প্রচার করে পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দফতর। সেই আবহে ভারতের প্রতিবেশী দেশে নিপায় আক্রান্ত হয়ে এক জনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এল।

নিপা ভাইরাসের উৎস মূলত বাদুড়। বাদুড়ের আধখাওয়া ফল ভাল ফলের সঙ্গে মিশে থাকলে সেখান থেকেও ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র তথ্য অনুযায়ী, শুয়োরও এই ভাইরাসের উৎস হতে পারে। আক্রান্তের ব্যবহৃত বিছানা, পোশাক বা অন্য জিনিসপত্র থেকেও সংক্রমণের ক্ষমতা রাখে নিপা ভাইরাস। সাধারণ ভাইরাল জ্বরের মতো উপসর্গ হলেও নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৫০-৬০ শতাংশ। আক্রান্তের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই তাঁকে সুস্থ করতে পারে। সে জন্য দ্রুত রোগ ধরা পড়া অত্যন্ত জরুরি। বাদুড় যেহেতু খেজুরের গাছে থাকে, তাই খেজুর রস থেকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement