POWERED BY
CO-POWERED BY
Back to
Advertisment

Rahul Arunoday Banerjee-Sandipta Sen: সন্দীপ্তার সঙ্গে কোদাইকানাল ঘোরাঘুরিতে প্রেমের যোগ নেই: রাহুল

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১৭ অক্টোবর ২০২১ ১৫:০১

রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপ্তা সেন

শনিবার ৩৮ বছরে পা দিলেন। এ বছর জন্মদিনে নিজেকে হাওয়া বদল উপহার দিয়েছেন অভিনেতা-লেখক রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার পুজোর বদলে বেছে নিয়েছেন দক্ষিণী সবুজকেই। কখনও রোদ, কখনও বৃষ্টি। সার্থক হাওয়া বদল!

রাহুলকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল আনন্দবাজার অনলাইন। ‘দেশের মাটি’র ‘রাজা’র গলায় উত্তেজনা স্পষ্ট। চাঁদের আলোয় বাগানে তখন বনভোজনের মেজাজে রাহুল। উৎফুল্ল হয়ে বললেন, ‘‘জীবনে প্রথম বার পায়ে হেঁটে পাহাড়ে উঠেছি! সিগারেট খাই, তাই ভেবেছিলাম বুঝি পারব না। পাঁচ কিলোমিটার ওঠা-নামা! কিন্তু কোনও কষ্টই হয়নি। এই জন্মদিনে বড় পাওনা এটাই।’’

পুজোয় দক্ষিণী সফর বেছে নিয়েছেন বটে, কিন্তু অনুরাগীদের বঞ্চিত করেননি রাহুল। পঞ্চমীর দিন বাংলা ধারাবাহিকের জনপ্রিয় জুটি হিসেবে ইনস্টাগ্রাম লাইভে এসেছিলেন রাহুল এবং রুকমা রায়। ভক্তদের সঙ্গে আড্ডা ছাড়াও কয়েকটি পুজো মণ্ডপে ‘রাজা-মাম্পি’কে বিচারকের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গিয়েছে।

কিন্তু সপ্তমী থেকেই ‘রাজা’ উধাও! স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে তিনি শুধুই রাহুল। কিন্তু স্কুলের বন্ধুদের দলে যে অভিনেত্রী সন্দীপ্তা সেনেরও দেখা মিলেছে! রাহুল কোনও দিন তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে স্পষ্ট উত্তর দেননি। তবু তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে কম চর্চা হয়নি চার দিকে। সে কথা উঠতে রাহুল বললেন, ‘‘গত ছ’বছর ধরে আমি আর সন্দীপ্তা বন্ধু। এখন শুধু তা-ই নয়, ও আমার সবচেয়ে ভাল বন্ধু। সে জন্যই স্কুলের বন্ধুদের দলে সন্দীপ্তাকেও জুড়ে নিয়েছি। তার উপরে আমার জন্মদিন যে! সন্দীপ্তা না থাকলে হয় নাকি! এর সঙ্গে প্রেমের কোনও সম্পর্ক নেই। নিছকই বন্ধুদের বেড়াতে যাওয়া। ছেলেরা মেয়েরা দু’টো আলাদা ডর্মিটরি নেওয়া হয়েছে। একেবারে ছোটবেলার ঘুরতে বেরোনোর মতো।’’

Advertisement

শুক্রবার রাতে সন্দীপ্তার সঙ্গে হাত মিলিয়েই বন্ধুরা রাহুলকে চমক দেওয়ার সমস্ত প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। বেশ চমকে গিয়েছিলেন রাহুলও। যদিও অভিনেতার দাবি, তিনি নাকি সবই জানতেন আগে থেকে। সন্দীপ্তাদের খুশি করতেই চমকে ওঠার অভিনয় করেছিলেন। সন্দীপ্তা যে সে কথা বোঝেননি, তা নয়। সে কথাও জানিয়েছেন রাহুলই।

হাওয়া বদল মানেই রাহুলের কাছে খাওয়া বদল। ‘‘দক্ষিণী খাবার মানেই লোকে ভাবে ধোসা, ইডলি।আরও যে কত কী রয়েছে, কেউ জানেই না! খালি নাক সিঁটকায়। আমার তো খুব পছন্দের। এক দিনও নিরামিষ খাইনি। প্রত্যেক দিন দক্ষিণী আমিষেই পেটপুজো সারছি’’ বললেন রাহুল।

কলকাতা থেকে কোদাইকানাল, কোদাইকানাল থেকে ভাট্টাকানাল, ভাট্টাকানাল থেকে কুন্নুর, কুন্নুর থেকে ফের কলকাতা— তার পরে আবার ‘রাজা’ সেজে হাজির হবেন রাহুল। আর ‘সারদা’-র বেশে সন্দীপ্তা।

Advertisement