ছটের পূণ্যলগ্নে সিঁথিতে কেন পরা হয় কমলা সিঁদুর? জেনে নিন নেপথ্য কারণ
কার্তিক মাসের শুক্লা চতুর্থী থেকে সপ্তমী তিথি অবধি ৪ দিন ব্যাপী এই পুজোয় অর্ঘ্য নিবেদন করা হয় সূর্যদেব ও দেবী ষষ্ঠীর উদ্দেশ্যে!
ভারতের নানা প্রান্তে নানা সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ছট পুজোর গুরুত্ব তুঙ্গে। কার্তিক মাসের শুক্লা চতুর্থী থেকে সপ্তমী তিথি অবধি ৪ দিন ব্যাপী এই পুজোয় অর্ঘ্য নিবেদন করা হয় সূর্যদেব ও দেবী ষষ্ঠীর উদ্দেশ্যে।
পরিবার ও সন্তানের সুস্থতা ও স্বাচ্ছন্দ্য কামনায় বিবাহিতারা দিনভর উপোস করে নিষ্ঠাভরে পুজো সারেন
ছটপুজোর চল সাধারণত রয়েছে বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশের পূর্ব প্রান্ত এবং নেপাল সংলগ্ন অঞ্চলে।
প্রতি বছরই এই সময়ে হয় ছট উৎসব। এ বার গত ২৮ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলছে ছটপুজোর উদযাপন।
হিন্দু পুরাণমতে, বিবাহিতা মহিলাদের সিঁথির সিঁদুর সুস্থ ও সুন্দর বৈবাহিক সম্পর্কের প্রতীক।
আরও পড়ুন:
ছট পুজো চলাকালীন এই রীতি পালনকারী মহিলাদের প্রায় নাক অবধি টানা সিঁদুর পরতে দেখা যায়। প্রচলিত মত বলে, ছটপুজোর সময়ে লম্বা রেখায় সিঁদুর পরলে তা স্বামীদের দীর্ঘায়ু এনে দেয়!
প্রচলিত বিশ্বাস বলে, স্ত্রীর সিঁথিতে সিঁদুরের টান যত লম্বা হবে, ততই দীর্ঘ আয়ু পাবেন তাঁর স্বামী। এ ছাড়াও মনে করা হয়, বাড়ির বউয়ের এ ভাবে সিঁদুর পরা পরিবারে বয়ে আনে সুখ ও শান্তি। তাই ছটপুজোর উপলক্ষে লম্বা করে সিঁদুর পরার চল এত জনপ্রিয় এখনও।
আবার ছটপুজোয় বিবাহিতাদের কমলা সিঁদুর ব্যবহার করতে দেখা যায়! সাধারণত বিবাহিতা ভারতীয় নারীরা লাল সিঁদুর ব্যবহার করে থাকেন। ছট পুজোয় তবে অন্য রীতি কেন?
বিশ্বাস বলে, কমলা রঙের সিঁদুর স্বামীর জীবনে সাফল্য ও উন্নতি বয়ে আনে। এর ফলে স্বামী যে কোনও পথেই সমৃদ্ধির মুখ দেখতে পাবেন!
আরও পড়ুন:
আবার পুরাণ মতে, ছটের সময়ে কমলা সিঁদুর ব্যবহার করার আসল কারণ হনুমানজির প্রতীকী পবিত্র রং হল কমলা! তাই লাল সিঁদুরের বদলে বিবাহিতা মহিলারা ছটের সময়ে ব্যবহার করেন কমলা রঙা সিঁদুর।