POWERED BY
CO-POWERED BY
Back to
Advertisment

উৎসবের গ্যালারি

Laxmi Puja 2021: কোজাগরীর চাঁদের আলো পড়ে কি ‘লক্ষ্মীছাড়াদের’ উপাখ্যানেও?

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ২০ অক্টোবর ২০২১ ১১:৪৪
তাঁরা চঞ্চল। নিজের ইচ্ছা মতো চলেন, প্রয়োজনে মুখ খোলেন। আর পাঁচ জন কী বললেন, সেই ভাবনা তাঁদের ব্যস্ত করে না একটুও। টলিপাড়ার এই কন্যেদের রূপে-গুণে যতই মুগ্ধ হোক জগৎ,তাঁদের তবু  ‘লক্ষ্মীছাড়া’ বলেই চেনেন অধিকাংশ। লক্ষ্মী মেয়ে হওয়ার বাসনায় দমে যান না তাঁরাও। রোজ ছক ভাঙেন। আর নতুন পথে চলেন। কোজাগরী পূর্ণিমায় মনে পড়বেই প্রথা ভাঙা সেই ‘লক্ষ্মীদের’।

নুসরত জাহানকে নিয়ে যত কথা হবে, ততই বাকি থাকবে বলা। বিয়ে, না-বিয়ে, প্রেম, মাতৃত্ব— কোনও কিছুতেই গণ্ডির তোয়াক্কা করেন না সাংসদ-অভিনেত্রী। আর তাঁর পায়ে পায়েই সমাজের গণ্ডিও কখন যেন বড় হয়ে যায় অনেকখানি।
Advertisement
সমাজের চোখ রাঙানি মেনে চলায় বিশ্বাস রাখেন না অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ও। 'চলো নিয়ম মতে'র বেড়িতে যে সব সময়ে সব কাজ করা যায় না, তা দিব্যি জানেন তিনি। একাধিক প্রেম, সে প্রেমে নতুন মোড়— কোনও কিছুই প্রকাশ্যে আনতে ভয় পান না মোটেই। তার মধ্যেই একে একে বাধা পেরিয়ে একা হাতে ছেলেকে বড় করেছেন। জোর কদমে কাজ করেছেন ছবি থেকে রাজনীতি, সবেতেই।

পরীমণির রূপে কে না মুগ্ধ? গুণের কথাও আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অভিনেত্রীর নাম এমনি ছড়ায়নি বাংলাদেশের সীমা পার করে পশ্চিমবঙ্গে-- সে কথা কারও অজানা নয়। তবু লক্ষ্মীমেয়ে বলে কেন যে নাম নেই! রূপে-গুণে যতই মুগ্ধ করুন না কেন, পরীমণির নাম উঠলেই খোলামেলা পোশাক, মাদক, যৌনতা— কত কী যে আসবে মনে!
Advertisement
বিয়ে ভেঙে গিয়েছে বহু দিন। একা হাতে বড় করছেন একমাত্র সন্তানকে। লড়াই চলে অনবরত। সে সব কথা বলতে পিছপা হন না শ্রীলেখা মিত্র। আবার একের পর এক সম্পর্ক, নতুন প্রেম নিয়েও অকপট অভিনেত্রী। ‘যা করেছি, বেশ করেছি’-ই যেন তাঁর জীবনের মন্ত্র!

স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কেও দেখুন না! ‘লক্ষ্মীমন্ত’ হওয়া যে সব মেয়ের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য নয়, অভিনেত্রীর প্রতিটি পদক্ষেপ যেন সে কথাই মনে করায়। তিনি ইচ্ছামতো চলেন, মনের কথা বলেন। কখনও খোঁপায় ফুল গোজেন, কখনও মাথার এক পাশ থেকে চুল একেবারে উধাও করে ফেলেন। আর নিজের কাজ করেন দিব্যি মন দিয়ে।

লক্ষ্মীশ্রী কাকে বলে? যাকে এক বার দেখলেই কোনও পুরুষ শান্তি পাবে? তার সঙ্গে সুখে ঘর বাঁধবে? চান্দ্রেয়ী ঘোষ যে তেমন নন! সেই ‘দোসর’-এর সময় থেকে বার বারই পর্দার ‘মন্দ মেয়ে’। ব্যক্তিগত জীবনেও ইচ্ছার বিরুদ্ধে দিন কাটানোর পক্ষে যে তিনি নন, বুঝিয়ে দিয়েছেন নানা কাজে।

তথাকথিত লক্ষ্মীরা যা যা করেন, ঋ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তার থেকে ঢের দূরে। অভিনেত্রীর কয়েকটি ছবির নামও সে কথা মনে করাতে পারে। ‘বিষ’, ‘গান্ডু’, ‘কসমিক সেক্স’-এর মতো ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি কাজ করেছেন বিভিন্ন ধারার চরিত্রে। সমাজ, যৌনতা, নারীদের অবস্থান নিয়ে তাঁর মতামতও রীতিমতো দৃঢ়।

রাহুল-প্রিয়াঙ্কার জুটি যে কখনও ভাঙতে পারে, তা ভাবেননি অনুরাগীরা। এখনও অনেকে তাঁদের নাম একসঙ্গে নিতেই পছন্দ করেন। তারই মাঝে শোনা গিয়েছে এক চিত্রগ্রাহকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের গুঞ্জন। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা সরকার সে সবে নিজেকে আটকে রাখেননি। বরং ফেলে আসা দিন পেরিয়ে অনেক পথ হেঁটেছেন একাই। রোজই একটু একটু করে বদলেছেন নিজেকে। কখনও নিজের চেহারা, তো কখনও বা কাজের ধরন। নতুন পরিচালকদের সঙ্গে নানা ধরনের কাজ করছেন। একা হাতে বড় করছেন সন্তানকে। আর এক হাতে আবার সামলাচ্ছেন তাঁকে ঘিরে গুজব থেকে কাজের দায়িত্ব। এই কোজাগরী পূর্ণিমায় আনন্দবাজার অনলাইন সেই আলোকিত টলি-কন্যাদের শক্তি-রূপ উদ্‌যাপন করছে।