প্রেজেন্টস্
Knowledge Partner
Fashion Partner
Wedding Partner
Banking Partner
Comfort Partner

মড়কা মা হলেন বোল্লা কালী! কী ভাবে?

ঘোর অন্ধকার রাত! আলোর দিশা নেই। নির্ঘুম রাত কাটে মুরারির। নিজের সঙ্গে এতগুলো প্রজার প্রাণ তিনি জড়িয়ে নিয়েছেন।

তমোঘ্ন নস্কর

শেষ আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৫ ১৬:৫১
ঘোর অন্ধকার রাত!  আলোর দিশা নেই।  নির্ঘুম রাত কাটে মুরারির। নিজের সঙ্গে এতগুলো প্রজার প্রাণ তিনি জড়িয়ে নিয়েছেন। যদি যাবজ্জীবন কিংবা দ্বীপান্তর হয়, এতগুলো পরিবারের কাছে তিনি সারা জীবনের জন্য দোষী হয়ে যাবেন।
০১ / ১৬

ঘোর অন্ধকার রাত! আলোর দিশা নেই। নির্ঘুম রাত কাটে মুরারির। নিজের সঙ্গে এতগুলো প্রজার প্রাণ তিনি জড়িয়ে নিয়েছেন। যদি যাবজ্জীবন কিংবা দ্বীপান্তর হয়, এতগুলো পরিবারের কাছে তিনি সারা জীবনের জন্য দোষী হয়ে যাবেন।

চোখ বুজে স্মরণ করেন তাঁর গ্রামের দেবী মড়কা কালীকে। চোখ বুজলে কেবল ওই রূপটি ভেসে আসে।
০২ / ১৬

চোখ বুজে স্মরণ করেন তাঁর গ্রামের দেবী মড়কা কালীকে। চোখ বুজলে কেবল ওই রূপটি ভেসে আসে।

মুরারি বিড়বিড় করেন, "মা, তুই দেখিস মা। গ্রামের মানুষ এত বছর ধরে তোকে মা জ্ঞানে পুজো করে আসছে। আজ একা করে দিস নে।"
০৩ / ১৬

মুরারি বিড়বিড় করেন, "মা, তুই দেখিস মা। গ্রামের মানুষ এত বছর ধরে তোকে মা জ্ঞানে পুজো করে আসছে। আজ একা করে দিস নে।"

সরকার বাহাদুরের সঙ্গে সরাসরি মামলায় জড়িয়েছেন জমিদার। এত সহজে কী পার পাওয়া যায়! কিন্তু দেবী যা চান, তাই হয়। মা শব্দেরই প্রতিস্পর্ধী মায়া!
০৪ / ১৬

সরকার বাহাদুরের সঙ্গে সরাসরি মামলায় জড়িয়েছেন জমিদার। এত সহজে কী পার পাওয়া যায়! কিন্তু দেবী যা চান, তাই হয়। মা শব্দেরই প্রতিস্পর্ধী মায়া!

মুক্তি পেলেন জমিদার আর তার প্রজাকুল।
০৫ / ১৬

মুক্তি পেলেন জমিদার আর তার প্রজাকুল।

গ্রামে ফিরিয়ে দেন আনন্দে নাচতে নাচতে। মড়কা কালী দেবীর পুজো হতো ফলহারিণী অমাবস্যায়।
০৬ / ১৬

গ্রামে ফিরিয়ে দেন আনন্দে নাচতে নাচতে। মড়কা কালী দেবীর পুজো হতো ফলহারিণী অমাবস্যায়।

অনেক দেরি। সবে শীত পড়তে শুরু করেছে। অত দিন কী আর অপেক্ষা করা যায়!
০৭ / ১৬

অনেক দেরি। সবে শীত পড়তে শুরু করেছে। অত দিন কী আর অপেক্ষা করা যায়!

তাই রাস পূর্ণিমার পরের শুক্রবারেই শুরু হল পুজো। সেই থেকে ও ভাবেই দেবী পুজো পেয়ে আসছেন।
০৮ / ১৬

তাই রাস পূর্ণিমার পরের শুক্রবারেই শুরু হল পুজো। সেই থেকে ও ভাবেই দেবী পুজো পেয়ে আসছেন।

পাল মহাশয় শেষ মুহূর্তে রং করছেন দেবীমূর্তি।
০৯ / ১৬

পাল মহাশয় শেষ মুহূর্তে রং করছেন দেবীমূর্তি।

শীতের বেলা। রোদের তেমন তেজ নেই, তাই লম্ফ তুলে ধরেছেন দেবীর মুখের কাছে। আলোর আভা সোজা মুখে গিয়ে পড়ছে। ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলল যেন কেউ! লম্ফখানি গিয়ে পড়ল দূরে, থরথরিয়ে কেঁপে উঠলেন পাল মশাই।
১০ / ১৬

শীতের বেলা। রোদের তেমন তেজ নেই, তাই লম্ফ তুলে ধরেছেন দেবীর মুখের কাছে। আলোর আভা সোজা মুখে গিয়ে পড়ছে। ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলল যেন কেউ! লম্ফখানি গিয়ে পড়ল দূরে, থরথরিয়ে কেঁপে উঠলেন পাল মশাই।

দেবীর মুখে তাপ লেগেছে, তাই তিনি রেগে গিয়েছেন। “মা'রে ভুল হয়ে গিয়েছে। ক্ষমা কর, বুঝতে পারিনি।”
১১ / ১৬

দেবীর মুখে তাপ লেগেছে, তাই তিনি রেগে গিয়েছেন। “মা'রে ভুল হয়ে গিয়েছে। ক্ষমা কর, বুঝতে পারিনি।”

অধরোষ্ঠে প্রশ্রয়ের হাসি খেলে যায়, চওড়া হয় মৃন্ময়ীর চিন্ময়ী গণ্ডদেশ।  হ্যাঁ, দেবী এখানে রয়েছেন। এমনি করেই সবার মাঝে মা-কার অস্তিত্ব হয়ে...
১২ / ১৬

অধরোষ্ঠে প্রশ্রয়ের হাসি খেলে যায়, চওড়া হয় মৃন্ময়ীর চিন্ময়ী গণ্ডদেশ। হ্যাঁ, দেবী এখানে রয়েছেন। এমনি করেই সবার মাঝে মা-কার অস্তিত্ব হয়ে...

জমিদার বল্লভ চৌধুরীর নামে মড়ক বা মারিনাশক মড়কা মা হলেন বোল্লা কালী মা। সবার মা, বড় মা বোল্লা মা!
১৩ / ১৬

জমিদার বল্লভ চৌধুরীর নামে মড়ক বা মারিনাশক মড়কা মা হলেন বোল্লা কালী মা। সবার মা, বড় মা বোল্লা মা!

সেই কত শত বছর আগে স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে পুকুর থেকে তুলে আনা শক্তি আধার শিলায় পুজো পেতেন দেবী!
১৪ / ১৬

সেই কত শত বছর আগে স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে পুকুর থেকে তুলে আনা শক্তি আধার শিলায় পুজো পেতেন দেবী!

এখন বহুকাল পেরিয়ে দেবী বিশাল মাতৃকায়া...যার মস্ত লুটানো আঁচলে দিনাজপুর নয় লক্ষ লক্ষ সন্তান...
১৫ / ১৬

এখন বহুকাল পেরিয়ে দেবী বিশাল মাতৃকায়া...যার মস্ত লুটানো আঁচলে দিনাজপুর নয় লক্ষ লক্ষ সন্তান...

রাসপূর্ণিমার পরবর্তী শুক্রবার। দেবীর মহাপুজো। আনুমানিক ৪-৫ লক্ষ মানুষের সমাবেশ হয়। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)
১৬ / ১৬

রাসপূর্ণিমার পরবর্তী শুক্রবার। দেবীর মহাপুজো। আনুমানিক ৪-৫ লক্ষ মানুষের সমাবেশ হয়। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy