Advertisement
Presented by
Co powered by
Associate Partners
Safe Puja

রোজকার ব্যবহারের ও পানীয় জলে আয়রনের মাত্রা বেশি থাকলে কী কী করবেন?

স্থানীয় পৌরসভা বা পঞ্চায়েতের সাথে যোগাযোগ করে জেনে নিতে পারেন আপনাদের অঞ্চলে জলের প্রকৃতি কিরকম

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৭:১৪
Share: Save:

শহরাঞ্চলে অথবা শহরতলিতে অনেক এলাকায় রোজকার ব্যবহারের জলে ও পানীয় জলে আয়রনের মাত্রা অনেকটাই বেশি থাকে। পানীয় জলে অতিরিক্ত আয়রন পরিমান উপস্থিত থাকলে আবার ব্যবহারিক জল যেমন স্নানের জল, কাপড়কাচার জল, বাসন মাজার জলে আয়রনের পরিমান বেশি থাকলে সাদা বেসিন, বাথটাব বা হাল্কা রঙের জামাকাপড়ে দাগছোপও পড়ে বেশি। এক্ষেত্রে নিজের স্বাস্থ্য ও গৃহস্থালিকে রক্ষা করার জন্য নানারকম পদ্ধতি মেনে চলতে পারেন।

এই প্রতিবেদনে পড়ে নিন বিভিন্ন ধাপে কিভাবে আয়রনের মাত্রা ফিল্টার করবেন জল থেকে।

  • জেনে নিতে পারেন আপনার বাড়ির জলের প্রকৃতি-

স্থানীয় পৌরসভা বা পঞ্চায়েতের সাথে যোগাযোগ করে জেনে নিতে পারেন আপনাদের অঞ্চলে জলের প্রকৃতি কিরকম, রোজকার জলে আয়রনের মাত্রা কত ইত্যাদি সাধারন প্রশ্নগুলি। এর মাধ্যমে আপনি সহজে বেছে নিতে পারেন কোন ধরনের ফিল্টার আপনার বাড়ির জন্য প্রয়োজন।

  • আয়রনের মাত্রা অনুযায়ী ফিল্টার বেছে নিতে পারেন-

সাধারনত রোজকার জলে দুইধরনের আয়রন উপস্থিত থাকে, ফেরাস আয়রন এবং ফেরিক আয়রন, যা যথাক্রমে জলের ধাতব স্বাদ ও মরচে হিসেবে জলের লালচে রঙের জন্য দায়ী। ফেরাস আয়রন দূর করার জন্য কিনে নিন স্পেশাল আয়রন জলের ফিল্টার। আবার ফেরিক আয়রনের জন্য আপনার প্রয়োজন মেকানিকাল ওয়াটার ফিল্টার।

  • নানাধরনের কাজের জন্য বেছে নিতে পারেন প্রয়জনিয় ফিল্টার-

এখন হোল হাউস ওয়াটার ফিল্টার সিস্টেম অনেকটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বাজারে। এই পদ্ধতিতে আপনি খুব সহজেই জলের থেকে ফেরাস আয়রন সরিয়ে দিয়ে জল ফিল্টার করতে পারবেন।

যেমন অনেক সময়ে হোল হাউস ওয়াটার সফটনার ব্যবহার করলেই কাজ হয়ে যায়। এর সাহায্যে অল্প মাত্রায় জলে আয়রন থাকলে তা খুব সহজেই ফিল্টার করে দেওয়া যায়।

আবার অন্য দিকে যদি আয়রনের মাত্রা জলে বেশি থাকে, তাহলে হাল্কা সফটনারের বদলে আপনার প্রয়োজন হবে আয়রন ওয়াটার ফিল্টার – যাতে আপনার ব্যবহারিক জল খুব ভাল ভাবে পরিশোধন করতে পারেন।

এই ধরনের ফিলটারগুলির সাহায্যে আপনি জামায় লালচে বা হলদে দাগ হওয়া অথবা ধাতব স্বাদের জলের থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

এছাড়াও আরও অনেক ধরনের পদ্ধতি রয়েছে জলকে আয়রন মুক্ত করার জন্য, যেমন

  1. শক ক্লরিনেশন
  2. কেমিক্যাল অক্সিডাইজেশন
  3. ক্যাটালিক্টিক ফিল্ট্রেশন
  4. ফসফেট ট্রিটমেন্ট
  5. অক্সিডাইজিং ফিল্টার ইত্যাদি।
  • পানীয় জলের শোধনে বেছে নিন সঠিক ফিল্টার-

এখন বাজারচলতি অনেক ফিল্টার এসে গেছে যার সাহায্যে সঠিক সিস্টেম ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই পানীয় জলের শোধন করতে পারতে। অনেক ওয়াটার পিউরিফায়ার বাজারে আছে যা আর.ও সিস্টেম ব্যবহার করে পানীয় জল শোধন করে আর খুব ফলপ্রসুভাবে জলে আয়রনের মাত্রা কমিয়ে দেয়।

  • শাওয়ার ফিল্টার ব্যবহার করতে পারেন-

কলের জল ফিল্ট্রেশন সিস্টেম দিয়ে শোধন করার পরেও যদি দেখেন জলের লালচে ভাব কমছে না এবং স্নানের সময় সেই জলের ব্যবহার করার জন্য চুল ও ত্বকের ক্ষতি হচ্ছে, তাহলে শাওয়ার ফিল্টার কিনে দেখতে পারেন। এই জাতীয় ফিলটারের কাজ হল স্নানের সময় আয়রন ফিল্টার করে নেওয়া, কিন্তু এটি অবশ্যই একটি খরচসাপেক্ষ ব্যবস্থা। তাই নিজের ব্যবস্থা বুঝে বেছে নিন কোন ধরনের ফিল্টার ব্যবহার করবেন।

নিজের ও নিজের পরিবারের স্বাস্থ্য এবং বাড়ির রক্ষনাবেক্ষনের কথা মাথায় রেখে, যেসব জায়গায় জলে আয়রনের মাত্রা বেশি, সেখানে ভাল ওয়াটার ফিল্টার বসিয়ে নিন বাড়িতে। এতে আপনার বাড়ির ওয়াটার সিস্টেম ও ভাল থাকবে, এবং ভাল থাকবে আপনার শরীরও।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.