মহুয়া মৈত্র। গ্রাফিক আনন্দবাজার ডট কম।
পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলল সাত বছরের পুরনো একটি চিঠি। সেটিকে হাতিয়ার করে সোমবার তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র সমাজমাধ্যমে প্রথমে নিশানা করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। পরে সমাজমাধ্যম থেকে ওই পোস্ট মুছে নতুন একটি পোস্ট করেন। তাতে চিঠির তলায় বিজেপির নির্বাচনী প্রতীক ‘পদ্ম’ চিহ্নের সিলমোহর থাকায় কমিশনকে দুষেছেন মহুয়া।
২০১৯ সালের ১৯ মার্চের ওই চিঠিটি মুখ্য নির্বাচন কমিশনের দফতর থেকে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের পাঠানো হয়েছিল। পাঠানো হয়েছিল বিভিন্ন স্বীকৃত রাজনৈতিক দলকেও। চিঠির তলায় রয়েছে বিজেপির কেরল রাজ্যশাখার নাম এবং পদ্মচিহ্নের সিল। অভিযোগ সামনে আসার পরে কমিশনের তরফে বিষয়টিকে ‘করণিক ত্রুটি’ (ক্ল্যারিকাল মিসটেক) হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সোমবার কেরলের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রচারিত হওয়ায় বিতর্ক দানা বাঁধে।
বিষয়টি নিয়ে মহুয়া সমাজমাধ্যমে প্রথম পোস্টে লেখেন, ‘শাবাস। নির্বাচন কমিশন এবং জ্ঞানেশ কুমারকে অবশেষে সত্যি কথা স্বীকার করার জন্য, যা আমরা সবাই আগে থেকেই জানি। ইসিআই শেষ পর্যন্ত সাহস দেখিয়ে বিজেপির সিল-সহ সরকারি চিঠি জারি করেছে। বাহ! গণতন্ত্র জিন্দাবাদ’। কিছু ক্ষণ পর তা মুছে নতুন একটি পোস্ট করেন মহুয়া। সেখানে লিখেছেন, ‘জ্ঞানেশ কুমারকে অনুরোধ করছি আমরা সকলে যা ইতিমধ্যেই জানি, তা পরিষ্কার ভাবে প্রকাশ করতে এবং একই ভাবে আরও চিঠি জারি করতে। গণতন্ত্র জিন্দাবাদ’! তবে তথ্য বলছে, ২০১৯ সালে সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে কমিশনের ওই বিতর্কিত চিঠির সঙ্গে জ্ঞানেশের সংশ্রব নেই কারণ তখন তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার পদে ছিলেন না।