E-Paper

আধাসেনার কলেজ ‘দখল’, স্নাতক স্তরের পরীক্ষা নিয়ে আশঙ্কা

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬৬টি কলেজের মধ‍্যে শতাধিক কলেজেই পরীক্ষার বন্দোবস্ত হচ্ছে। তার মধ‍্যে ১০-১৫টি কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমিয়ে সূচির রদবদল করতে হয়েছে। অনেক কলেজেই লাইব্রেরি, কম্পিউটার রুম ছাড়া গুটিকয়েক ঘর ফাঁকা থাকছে পরীক্ষার জন‍্য।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ০৮:৪৪

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

এক দিকে কলেজগুলিতে শুরু হয়েছে স্নাতকের তৃতীয় সিমেস্টারের পরীক্ষা। অন‍্য দিকে, ভোটের কাজে আধা সামরিক বাহিনীর বসবাসেরও তোড়জোড় চলছে। কোনও কোনও কলেজে আধাসেনার জন‍্য অস্থায়ী রান্নাঘর বা শৌচাগারও প্রস্তুত। কয়েকটি কলেজে আধাসেনা ইতিমধ্যে ঘাঁটি গেড়েছে। এই অবস্থায় এপ্রিল মাস জুড়ে তৃতীয় ও প্রথম সিমেস্টারে নয়া শিক্ষানীতির বিচিত্র সব পরীক্ষার ঝক্কি সুষ্ঠু ভাবে সামলানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আধিকারিক বলেন, “উপাচার্য আশুতোষ ঘোষের নির্দেশে পরিকল্পনামাফিক তৃতীয় সিমেস্টারের ক্ষেত্রে অনেকটা বাধা এড়ানো গিয়েছে। কিন্তু ১০ এপ্রিল প্রথম সিমেস্টারের জন‍্যও সতর্কতার সঙ্গে বিভিন্ন কলেজে সিট ফেলতে হচ্ছে।” অধ্যক্ষেরা বলছেন, উপাচার্যের কাছ থেকে অনেক আগে পরীক্ষা আয়োজনের জন‍্য চিঠি আসায় কাজ হয়েছে।

নিউ আলিপুর কলেজের অধ‍্যক্ষ জয়দীপ ষড়ঙ্গী বলেন, “পুলিশ বা নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের বুঝিয়ে বলি, কলেজে মেরামতির জন‍্য পরীক্ষার স্থান সীমিত। তাই আধাসেনা রাখার জায়গার সমস‍্যা।” একই ভাবে বিষয়টি বোঝান সিটি কলেজের অধ‍্যক্ষ শীতলপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “৮ এপ্রিল তৃতীয় সিমেস্টার শেষ হওয়া পর্যন্ত সমস‍্যা হবে বলে মনে হয় না। ১০ এপ্রিল কলেজের ভবনে রামমমোহন কলেজের তরফে প্রথম সিমেস্টারের পরীক্ষার কথা। তখনও আধাসেনা আসতেই পারে।”

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬৬টি কলেজের মধ‍্যে শতাধিক কলেজেই পরীক্ষার বন্দোবস্ত হচ্ছে। তার মধ‍্যে ১০-১৫টি কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমিয়ে সূচির রদবদল করতে হয়েছে। অনেক কলেজেই লাইব্রেরি, কম্পিউটার রুম ছাড়া গুটিকয়েক ঘর ফাঁকা থাকছে পরীক্ষার জন‍্য। ইনস্পেক্টর অব কলেজেস দীপ্তেন্দু চট্টোপাধ্যায় বলেন, “একসঙ্গে প্রভাতী, দিবা এবং সান্ধ্য শাখার কলেজগুলিতে আধাসেনা থাকলে বেশি সমস্যা। অনেক আগে কলেজগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।” কলেজগুলিকে উপাচার্য, ইনস্পেক্টর অব কলেজেস এবং পরীক্ষা নিয়ামক জয়ন্ত সিংহ তিন জনেই চিঠি দিয়েছিলেন। অধ‍্যক্ষদের সঙ্গে বিশ্ববিদ‍্যালয়ের আধিকারিকদের ওয়টস্যাপ গ্রুপও হয়।

যোগেশচন্দ্র কলেজ, চারুচন্দ্র কলেজে অবশ্য পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। যোগেশচন্দ্রের অধ‍্যক্ষ পঙ্কজকুমার রায় বলেন, “আধাসেনার সঙ্গে পরীক্ষার্থীর উপস্থিতি নিরাপদ মনে হয়নি। পুলিশ দায়িত্ব নিলে রাজি হতাম।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

central forces West Bengal Assembly Election

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy