বরো চেয়ারম্যান কার্যত চূড়ান্ত হয়ে গেল বিধাননগর পুর নিগমে। রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিধাননগরের দায়িত্বে থাকা ফিরহাদ হাকিম এদিন জানিয়ে দেন, তৃণমূলের বরো চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের নাম মনোনীত হয়ে গিয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বীতা না হলে সেই প্রার্থীরাই বরো চেয়ারম্যান পদে বসবেন। দুই বিরোধী দল সিপিএম এবং কংগ্রেস উভয়ই জানিয়ে দিয়েছে বরো চেয়ারম্যান পদের জন্য তারা প্রার্থী দেবে না। ফলে বিধাননগর পুর নিগমে বরো চেয়ারম্যান কারা হচ্ছে তা এদিনই কার্যত ঠিক হয়ে গিয়েছে।

পুর কমিশনার পবন কাডিয়ান জানান, ছয়টি ওয়ার্ডে পুর নিগম এলাকার ৪১টি ওয়ার্ডকে ভাগ করা হয়েছে। তৃণমূলের তরফ থেকে প্রস্তাবিত নামগুলি হল- ডাম্পি মণ্ডল-১ নম্বর বরো, মনীশ মুখোপাধ্যায়-২ নম্বর বরো, সুজিত মণ্ডল-৩ নম্বর বরো, বাণীব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-৪ নম্বর বরো, অনিতা মণ্ডল-৫ নম্বর বরো এবং মিনু চক্রবর্তী-৬ নম্বর বরো।

তৃণমূল প্রার্থী দিলেও সিপিএমের রাজারহাট আঞ্চলিক কমিটির সম্পাদক শুভজিত দাশগুপ্ত এবং কংগ্রেসের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি তাপস মজুমদার জানিয়ে দিয়েছেন তাদের দল কোনও বরোতেই চেয়ারম্যান হিসেবে কাউকে দাঁড় করাবে না।

পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানান, বিধাননগর পুরনিগমের বরো গঠিত হয়েছে। দলের তরফ থেকে বরো চেয়ারম্যান পদে ৬ জনের নাম মনোনীত করা হয়েছে। একমাস আগেই মেয়র পরিষদরা শপথ নিয়েছেন। তার পরে একমাসের মধ্যেই বরো চেয়ারম্যানদের মনোনয়নের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছিলেন পুরমন্ত্রী।

বিধাননগর পুর নিগমের মেয়র সব্যসাচী দত্ত জানান, বঙ্গীয় পুর আইন মেনেই বরো চেয়ারম্যানদের দ্রুত শপথ হবে।

মেয়র পরিষদের মতোই বরো চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করার ক্ষেত্রে দলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা হয়েছে। কৃষিমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু, খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বিধায়ক সুজিত বসু ও বিধায়ক তথা মেয়র সব্যসাচী দত্তের অনুগামীদের বরো চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়েছে।