পাহাড় তথা দার্জিলিঙের পরিস্থিতি স্বাভাবিক। পর্যটকেরা নিরাপদে আসতে পারেন। আগামী ১৬-১৮ শিলিগুড়ির বাঘা যতীন পার্কে হতে যাওয়া বেঙ্গল ট্রাভেল মার্টে দেশ বিদেশ থেকে আসা প্রতিনিধিদের কাছে সেই বার্তাই পৌঁছে দিতে চাইছে উদ্যোক্তা ইস্টার্ন হিমালয় ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন।

উদ্যোক্তারা জানান, ট্রাভেল মার্টে সেমিনারে দার্জিলিঙের বিষয়টি বিশেষ ভাবে তুলে ধরা হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত এবং বিদেশ থেকে আসা প্রতিনিধিদের দার্জিলিং ঘোরানোর বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।

এতোয়ার সাধারণ সম্পাদক সন্দীপন ঘোষ বলেন, ‘‘পাহাড়ে ১০৪ দিন ধরে লাগাতার বন্‌ধ পরিস্থিতির জেরে পর্যটন কার্যত শূন্যে এসে পৌঁছেছিল। হোটেল ব্যবসা, পর্যটন সংস্থাগুলো, পরিবহণ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা সকলেই লোকসানের মুখে পড়েন। সেই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে পাহাড়ে আগের মতো পর্যটক ফেরানোর চেষ্টা চলছে। বেঙ্গল ট্রাভেল মার্ট থেকে সেই বার্তাও দেওয়া হচ্ছে। এটা একটা বড় সুযোগ।’’ সদস্যদের আর্জি, পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে অনেক জায়গাই এখন বন্‌ধের আওতার বাইরে রাখা হয়। যেমন গোয়াতে। সেখানে আন্দোলন, বন্‌ধ যাই হোকনা কেন পর্যটনের বিষয়টি ছাড় দেওয়া হয়। উত্তরবঙ্গে পাহাড়, ডুয়ার্সের মতো পর্যটনের জায়গাগুলোকেও বন্‌ধের আওতার বাইরে রাখা উচিত। 

জিটিএ চেয়ারম্যান বিনয় তামাঙ্গও বেঙ্গল ট্রাভেল মার্টে আসবেন বলে জানিয়েছেন এতোয়ার সভাপতি দেবাশিস মৈত্র। তিনি বলেন, ‘‘এখান থেকে পাহাড়ে পর্যটকদের আসার জন্য জিটিএ প্রধানও বার্তা দেবেন। পাহাড়ে পর্যটক ফেরাতে এই উদ্যোগ কাজে আসবে বলে আমরা আশাবাদী।’’ সম্প্রতি পাহাড়ে পর্যটক ফেরাতে তিস্তা-রঙ্গিত উৎসবও করেছে জিটিএ।

উদ্যোক্তারা জানান, বেঙ্গল ট্রাভেল মার্টে রাশিয়া, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটানের মতো দেশ থেকে প্রতিনিধি এবং ট্যুর অপারেটর সংস্থা আসছে। বাংলায় পর্যটনের সম্ভাবনাকে তুলে ধরা হবে তাদের কাছে। সেই সঙ্গে দেশের মধ্যে অন্যান্য রাজ্যের প্রতিনিধিরাও আসছেন।