টানা দু’দিনের বৃষ্টিতে ভাসছে ধূপগুড়ি। পুর এলাকার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। আর ভোটের প্রাক্কালে তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল চাপানউতোর। নাগরিকদের দুর্ভোগ সামনে রেখে পথে নেমে পড়েছে বিরোধীরা। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের আমলে কাজের কাজ যে হচ্ছে না দু’দিনের বৃষ্টিতে বহু এলাকা ডুবে যাওয়া থেকেই তা স্পষ্ট।

জোরকদমে আসরে নেমেছে শাসক দল তৃণমূলও। বৃষ্টি মাথায় ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরছেন নেতারা। শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলার সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তী যেখানেই জল জমে আছে শুনেছেন, সেখানে হয় নিজে ছুটছেন বা দলের কর্মীদের কাউকে পাঠাচ্ছেন। সৌরভবাবু বলেন, ‘‘রাতারাতি সব সমস্যার সমাধান হয় না। ধীরেসুস্থে হচ্ছে। আমরা যে কাজ করছি তা বাসিন্দারা বুঝতে পারছেন।’’

এখানেই শেষ নয়, পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেবও জলমগ্ন ওয়ার্ডে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। প্রচার শেষের একদিন আগে শহরের ৩,৪,৯,১০,১১,১২,১৫, ও ১৬ নম্বরের অনেক রাস্তা এক হাঁটু জলের নিচে। ওয়ার্ডগুলির বেশ কিছু বাড়িতেও হাঁটু সমান জল জমে রয়েছে। বৃহস্পতিবার ধূপগুড়িতে প্রচারের এসে পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব জলমগ্ন ১৫ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শনে যান। গৌতমবাবু বলেন, “কাউন্সিলাররা জিতে এলে এই জল জমে থাকা সমস্যা সমাধানের জন্য তাঁদের মাস্টার প্লান করতে হবে।”

এ দিন ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে বাসিন্দারা এতটাই ক্ষুব্ধ যে নেতাদের সামনে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তাঁরা। নেতাদের কথা শোনার পরে কী বলছেন ভুক্তভোগীরা? “আবারও শুনছি। আবারও অপেক্ষা করব।’’