বইমেলা, বস্ত্রমেলা এবং খাদ্যমেলা যেমন আছে, তেমনই রয়েছে বাজির মেলা। চতুর্দিকে কয়েকশো বাজির সম্ভার। সেই সঙ্গেই থিকথিক করছে ক্রেতাদের ভিড়।
চোদ্দ পিদিম, আকাশ প্রদীপ অথবা তুবড়ি- শহরের বাজির বাজার কিন্তু আর এ সবেই সীমাবদ্ধ নেই। দীপাবলি-কালীপুজোর ঢের আগে থেকেই এই সব জায়গায় চাহিদা বাড়ে বিভিন্ন আধুনিক বাজি-সহ পরিবেশবান্ধব এবং সবুজ বাজিরও।
কিন্তু দামটাও একটা বড় প্রশ্ন। সস্তায় বাজি পেতে হলে কিছু বিশেষ জায়গার ঢুঁ দিলেই মিলবে সমাধান।
এই যেমন নুঙ্গি বা চম্পাহাটি। এই দুই বাজারেই বাজির দাম অত্যন্ত সস্তা। মাত্র ২০-২৫ টাকাতেও পেয়ে যাবেন তুবড়ি অথবা শেলের প্যাকেট। ৩০০-৪০০ টাকার মধ্যে ব্যাগ ভরতি করে বাজি কিনে বাড়ি ফিরতে পারবেন।
শহিদ মিনার সংলগ্ন ময়দান চত্বরেও বসে বাজির মেলা। তবে কোভিডের সময়ে কিছু বছর বন্ধ ছিল। ‘কিউআর কোড’ যুক্ত সবুজ বাজি এবং সর্বচ্চ ১২৫ ডেসিবেল শব্দতরঙ্গের মধ্যে থাকা বাজি এখানে পেয়ে যাবেন সহজে।
এ ছাড়াও বাজি বাজারের তালিকায় রয়েছে টালা, যাদবপুর ও বেহালাও।
হাওড়া জেলাতেও বড় মাপের বাজি বাজার বসে। বেলুড় স্টেশন রোডে শক্তি সঙ্ঘের মাঠে সকাল ১০টা থেকে বাজি কিনতে ভিড় জমান ক্রেতারা।
এ ছাড়াও সাঁতরাগাছিতেও রয়েছে সবুজ বাজির বাজার।
কলকাতার বাজি বাজারগুলি সম্পর্কে শোনা যাচ্ছে, আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এগুলি।
ময়দানে বাজি বাজারে নাকি এই বছর থাকবে ৫০টি স্টল। টালার বাজি বাজারেও ৪০টির উপর দোকান।
তবে এ ক্ষেত্রে রয়েছে বেশ কিছু শর্ত। বিক্রি করা যাবে না কোনও রকম শব্দ বাজি।
সবুজ বাজিই এক মাত্র উপলব্ধ হবে ক্রেতাদের জন্য। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ)।