পুজোর মেজাজ কাটতে না কাটতেই কড়া নাড়ছে শ্যামাপুজো। আর কালীপুজো মানেই তো ভূতচতুর্দশী। আলোর রোশনাইয়ের মাঝেই কেমন যেন একটা গা ছমছমে ব্যাপার।
আর ঠিক এই সময়েই নোয়াখালীর সোনাপুকুর এলাকার একটি রাজকীয় বাড়ি ঘিরে তৈরি হয়েছে এক অদ্ভুত কৌতূহল।
লালপুর গ্রামে, সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়ির রাস্তা থেকে আধ কিলোমিটার পশ্চিমে, টাকপুকুরপার এলাকায় গেলে চোখে পড়বে সেই বিশাল অট্টালিকা।
দূর থেকে দেখলে মনে হয়, এ যেন কোন সিনেমার সেট, বা ইতিহাসের পাতা থেকে উঠে আসা আস্ত এক রাজপ্রাসাদ!
তবে এটি নিছকই একটি স্থাপত্য নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে রহস্যের এক পরত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পনেরো বছর আগে এর নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন হিক্কি ডায়াস নামে এক জন খ্রিস্টান ব্যক্তি।
কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, এত বছরেও কাজ শেষ হয়নি।
দীর্ঘ দিন কাজ বন্ধ থাকার ফলে এই নির্মাণাধীন প্রাসাদটি এলাকায় 'ভুতুড়ে বাড়ি' রূপেই পরিচিতি লাভ করেছে। তবে সম্প্রতি আবার কাজ শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এটি হয়তো কোনও বাসভবন বা রিসর্ট হিসাবে তৈরি হচ্ছে।
কিন্তু খোদ নির্মাতা কেন এত বছর ধরে এর উদ্দেশ্য গোপন রেখেছেন, তা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই।
শোনা যাচ্ছে, নিচে থাকবে গাড়ি পার্কিং লট, দোতলায় থাকবে পার্টি সেন্টার, আর তিনতলা থেকে শুরু হবে পুরোদস্তুর গেস্ট হাউস।
ভূত চতুর্দশীর আগে এ বার ঘুরে আসা যেতে পারে এই স্থান থেকে। স্বচক্ষে দেখে আসা যাক, স্থাপত্যের এই চমক। এত দিনেও কেন শেষ হল না এই কাজ? কার অপেক্ষা করছে এই রাজকীয় ভবন? এই প্রশ্নগুলোই এখন ঘুরছে সোনাপুকুরের আকাশে-বাতাসে। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ)।