পাশেই কালীক্ষেত্র, সতীপীঠ। কালীঘাটের পার্শ্ববর্তী অঞ্চল চেতলা দারুণ বিখ্যাত তার কালীপুজোর জন্য। জেনে নিন এখানে কোন কোন কালী পূজিত হয়।
চেতলা প্রদীপ সংঘে পঞ্চমুখী কালীর পুজো হয়। এই পাঁচ মুখে রয়েছেন শ্যামা, বগলা, চামুণ্ডা, ধুমাবতী এবং রক্ষাকালী। দেবীর পায়ের নিচে আছেন পঞ্চানন। শিব নয়।
চেতলায় পুজো হয় চামুণ্ডা কালীর। দুর্গাপুর ব্রিজ যেখানে শেষ হচ্ছে চেতলার দিকে ঠিক সেখানেই পুজো হয় দেবীর এই রূপের।
কেবল চামুণ্ডা নয়, এখানে পূজিত হন রক্তচামুণ্ডাও। মিলন সংঘে দেবীর এই রূপ পূজিত হয়।
সিআইটি পার্কে পুজো হয় দক্ষিণ চেতলা সর্বজনীন মহাকালীর। এখানে দেবী মূর্তির দশটা মাথা, দশ হাত এবং পা।
গোপালনগর গোল্ডেন ক্লাবে পূজিত হন এলোকেশী দেবী। এখানে দেবীর সোনার জিভ, রুপোর ছাতা।
চেতলা শেতলা স্মৃতি সংঘে পুজো হয় সিংহের উপর উপবিষ্ট কালীর।
দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মায়ের আদলে তৈরি মূর্তির পুজো হয় ইয়ং ইনস্টিটিউটে।
জীবন্ত কালীর পুজোও চেতলায়। দুর্গাপুর জাগরণী ক্লাবে জীবন্ত কালীর পুজো হয়।
কালীপুজোর ক’দিন পর প্যারীমোহন রোডে পুজো হয় দশমহাবিদ্যার। সেখানে থাকে কালী, তারা, ষোড়শী, ভৈরবী, ভুবনেশ্বরী, ছিন্নমস্তা, ধূমাবতী, বগলা, মাতঙ্গী, কমলার মূর্তি। গোটা রাত জেগে পুজো হয়।
চেতলা ফাইভ স্টার ক্লাবে পূজিত হয় তারা মা। সঙ্গে থাকেন বামাক্ষ্যাপা।
চন্দ্রঘণ্টার আরাধনা হয় চেতলা গীতাঞ্জলি স্পোর্টিং ক্লাবের। দেবীর পায়ের নিচে থাকেন ভৈরব।
৮৬ পল্লীতে পুজো পান ছিন্নমস্তা।
চেতলা ইয়ং স্টার ক্লাবে পুজো হয় গুহ্যকালীর। দেবীর মাথায় এখানে সাপের মুকুট।
জহুরা কালীর পুজো করে চেতলা ইয়ং ফ্রেন্ডশিপ ক্লাব।
চেতলা হাট রোডে পুজো পান হাজার হাত কালী।
এই চেতলা হাট রোডে পুজো হয় কৃষ্ণকালীর। চেতলা সংঘে এই পুজো হয়।
সৎসংঘে দুর্গাকালী পূজিত হয়। মূর্তির এক দিকে কালী, আরেক দিকে দুর্গা।
এ ছাড়া অগ্রণী ক্লাবেও ধুমধাম করে কালীপুজোর আয়োজন করা হয়।
আর কেওড়াতলা মহাশ্মশানের শ্মশান কালী তো আছেই। ( এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ)।