প্রতীকী চিত্র
দুর্গাপুজো বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব, এ কথা তো সকলেরই জানা। এই পুজোয় হিন্দু, মুসলিম ভেদাভেদ করে মণ্ডপ দর্শন, পুজোর আনন্দ চেটেপুটে উপভোগ করা হয় না। সকলেই এই আনন্দ যজ্ঞে সামিল হন। তবে শহরের বুকে হওয়া এই পুজো কিন্তু আদতেই যেন হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির এক অনন্য নিদর্শন।
কাঁঠালবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসবটি এলাকার হিন্দু-মুসলিম সকলে মিলে করে থাকেন। তাঁদের এ বারের থিম ‘রাজনন্দিনী’। অর্থাৎ নারী শক্তির জয়গান গেয়েছেন তাঁরা তাঁদের এই মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে। নারী শক্তির কথা তুলে ধরেছেন।
কাঁঠালবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসবের এ বারের দায়িত্বে রয়েছেন এলাকার মহিলারাই। তাঁরাই নিজেদের হাতে সমস্তটা করছেন। তাঁদের এ বারের মণ্ডপ গড়ে তোলা হয়েছে রাজবাড়ির আকারে। দেবীকে সাজানোও হয়েছে ‘রাজনন্দিনী’র মতো করেই। তাঁর মায়াময়, সুন্দর রূপে মুগ্ধ হতে বাধ্য!
তবে, সব থেকে মজার কথা কি জানেন? কলকাতার একাধিক জায়গা যেমন বউবাজার, উল্টোডাঙা, ইত্যাদির ক্ষেত্রে নামের সঙ্গে যেমন জায়গার মিল নেই, এখানে কিন্তু উল্টো! এই কাঁঠালবাগানের পুজোটি হয় সত্যিকারের এক কাঁঠাল বাগানেই। তবে এর কি? এ বার পুজোয় একদিন ঘুরে আসবেন নাকি?
‘আনন্দ উৎসব ২০২৫’-এর সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছেন একাধিক সহযোগী। প্রেজ়েন্টিং পার্টনার ‘মারুতি সুজ়ুকি অ্যারেনা’। অন্যান্য সহযোগীরা হলেন ওয়েডিং পার্টনার ‘এবিপি ওয়ানস্টপ ওয়েডিং’, ফ্যাশন পার্টনার ‘কসমো বাজ়ার’, নলেজ পার্টনার ‘টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি’, ব্যাঙ্কিং পার্টনার ‘ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া’, কমফোর্ট পার্টনার ‘কার্লন’।
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ ।