Bankura

গন্ধেশ্বরীর তীরে তিন রূপে পূজিত হন লখাতোরার শ্মশান কালী, জড়িয়ে রয়েছে কোন কিংবদম্তি?

পুজোয় প্রাণের আরাম, মনের শান্তি? লোকমুখে ফেরা অলৌকিকতার টানে ঘুরে আসুন গন্ধেশ্বরী নদীর তীরের এই জাগ্রত মন্দির থেকে।

Advertisement
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২৫ ১৭:২৯
Share:
০১ ১২

আর ক'টা দিনের অপেক্ষা, তার পরই চার দিকে আলোর রোশনাই, আগমন হবে কালী মায়ের। দুর্গাপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই বাঙালির মন আবার উৎসবমুখী। এই উৎসবের ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন এই মন্দির থেকে। জেনে নিন তার ইতিহাস।

০২ ১২

বাঁকুড়ার গন্ধেশ্বরী নদীর তীরবর্তী এলাকায় রয়েছে লখাতোরা শ্মশান কালীর এই মন্দিরটি।

Advertisement
০৩ ১২

প্রথমেই বলে রাখা ভাল, পরিবেশটা ভারী শান্ত। সবুজ আর স্নিগ্ধতার এক নিবিড় বুনন।

০৪ ১২

মন্দিরের গর্ভগৃহে বিরাজ করছেন আদি মা কালী।

০৫ ১২

সেই আদি মায়ের পাশেই রয়েছে আর এক মহাতীর্থের ছায়া— শ্বেত পাথরের বামাক্ষ্যাপার মূর্তি। যেন তারাপীঠের মহাযোগী তার মায়ের পাশে এসে বসেছেন।

০৬ ১২

মন্দির চত্বরের এক অংশে রয়েছে দেবী মন্দির, সেখানে দেবী পূজিত হন মা ভবতারিণী রূপে।

০৭ ১২

আবার বটগাছ পেরোলেই দেখা পাওয়া যায় মা তারার মন্দির।

০৮ ১২

এই চত্বরেই দেবাদিদেব মহাদেবের উপস্থিতি যেন শক্তিপীঠের পবিত্রতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

০৯ ১২

কিন্তু রহস্য লুকিয়ে আছে এখানকার এক বিশাল বটগাছে। কথিত আছে, এক বিপত্তারিণী পুজোর দিন এক ছোট মেয়ের সামনে নাকি স্বয়ং ‘বড় মা’ আবির্ভূত হয়েছিলেন। সেই অলৌকিক ঘটনার সাক্ষী আজও সেই বটগাছ।

১০ ১২

এ ছাড়াও এখানে পূজিত হন হাতি-ঘোড়া ঠাকুর, যাঁদের দেবী মনসার প্রতীক হিসেবে মানা হয়।

১১ ১২

মন্দির চত্বরের অন্য প্রান্তে রয়েছে শ্মশান।

১২ ১২

সব মিলিয়ে, লখাতোরা মন্দিরে এলে কেবল দেবীর নানান রূপের দর্শন হয় না, শ্মশানকালীর পাশে মা যেন হয়ে ওঠেন ভবতারিণী, তারাপীঠের যোগী বামদেবের পাশে এসে দাঁড়ান স্বয়ং মা। আসন্ন কালীপুজোর আগে সপরিবারে ঘুরে আসতে পারেন এই সুন্দর, শান্ত, সবুজে ঢাকা শ্মশান কালীর মন্দির থেকে। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement