তিনি মুক্তকেশী। ভয়ঙ্করী। কখনও আবার বস্ত্র ও অলঙ্কারে সুসজ্জিতা। মহাদেবের বুকের উপর অস্ত্র হাতে দণ্ডায়মান। প্রসারিত জিহ্বা।
মহাপ্রলয় থামাতে শিব চলে গিয়েছিলেন কালীর পায়ের নীচে। আট থেকে আশি, দেবী কালিকার এই চিত্রের সঙ্গেই পরিচিত সকলে।
কিন্তু যদি বলা হয়, মহাদেবের উপর কালী নয়, বরং কালীর উপর পা রেখে দাঁড়িয়ে শিব! এ-ও কি সম্ভব?
হ্যাঁ, এমন উলটপুরাণ রয়েছে মধ্যমগ্রামে। বলা হয়, এমন শিব ও কালীর এমন মূর্তির নজির নাকি এক মাত্র এই বাংলাতেই।
কিন্তু কেন এমন মূর্তি? কী এর রহস্য? নেপথ্যের কারণ জানেন?
স্থানীয়দের মতামত, ১৯৮০ সালে একটি ক্যালেন্ডারে নাকি প্রথম দেখা পাওয়া যায় এমন রূপের।
তখন থেকেই শুরু পুজোর। প্রথমে ওই ক্যালেন্ডারেই পুজো হলেও পরে তৈরি হয় পূর্ণাঙ্গ মূর্তি।
দেবী দক্ষিণা কালীর উপর পা রেখে দাঁড়িয়ে চতুর্ভুজা, নীলবর্ণা শিব।
অনেকে বলেন, এই মূর্তি হল প্রকৃতি এবং পুরুষের ভারসম্যের প্রতীক।
তথ্য থেকে জানা যায়, এমন ব্যতিক্রমী মূর্তি ভারতের তিন জায়গায় রয়েছে।
জায়গাগুলি হল- বেনারস, উজ্জয়িনী এবং মধ্যমগ্রাম।
তবে এমন পূর্ণাঙ্গ মূর্তি আছে মধ্যমগ্রামেই। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)