বস্ত্র ও অলঙ্কারে সুসজ্জিতা দেবী। চতুর্ভুজা এই প্রতিমার এক হাতে খড়গ, অন্য হাতে চাঁদমালা।
সামনের দুটি হাত ধরে রয়েছে একটি বাঁশি।
ভঙ্গিমা দেখলে বোঝা যায়, দেবীই যেন বাজাচ্ছেন সেটিকে।
অথচ তাঁর গাত্র বর্ণ নীল এবং একই ভাবে সামনে প্রসারিত হওয়া জিহ্বা বলে দিচ্ছে এই প্রতিমা কালী ঠাকুরেরই।
এ যেন একই অঙ্গে দুই রূপ!
হ্যাঁ, ঠিকই চিনেছেন। তিনি হলেন কালীঘাটের দেবী কৃষ্ণকালী।
বিগ্রহ দেখলে বোঝা যাবে কৃষ্ণ এবং কালীর রূপ ফুটে উঠেছে একই বিগ্রহে।
দক্ষিণ কলকাতার কেওড়াতলা মহাশ্মশানের কাঠের চুল্লির ঠিক পাশেই অবস্থিত দেবীর মন্দির।
শান্ত-নিরিবিলি পরিবেশে অবস্থিত এই মন্দিরে নিত্য দিনই ভক্তদের আনাগোনা।
প্রতি দিনই এখানে নিত্যপুজো ও আরতি হয়।
দেবীর দর্শন করে খানিক দূর এগোলেই দেখা পাওয়া যায় ভৈরব বাবার মন্দির।
দেখতে পাবেন পঞ্চমুণ্ডির আসনও।
তবে বলা হয়, ভৈরব বাবার এই মন্দিরে ঐশ্বরিক শক্তি খুবই প্রবল ভাবে অনুভব করা যায়।
যদিও এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিক্রমী কৃষ্ণকালী মন্দির। এখানে এত তীব্র শক্তি অনুভূত হয় না। কারণ এখানে প্রেম বিরাজ করে। কৃষ্ণকালী প্রতিমা, কৃষ্ণ এবং কালীর সমন্বয়কে চিহ্নিত করে। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)