সব বাধা পেরিয়ে হাওড়ার অর্ণব দাস, বাইকে লাদাখ-সফরের স্বপ্ন পূরণ করেছেন সম্প্রতি।
কী ভাবে যাবেন? কোন সময়টা বাইক নিয়ে যাওয়ার জন্য ভাল? প্রস্তুতিই বা কী রকম হবে - এ রকম খুঁটিনাটি অনেক বিষয়েই চিন্তার শেষ থাকে না।
সব বাধা পেরিয়ে হাওড়ার অর্ণব দাস, বাইকে লাদাখ-সফরের স্বপ্ন পূরণ করেছেন সম্প্রতি। আনন্দ উৎসব-কে জানিয়েছেন নিজের অভিজ্ঞতার কথা।
গত জুন মাসে, অর্ণব ও তার সঙ্গীরা হিমাচল হয়ে লাদাখের উদ্দেশে রওনা হন। হিমাচল থেকে সাজপাস হয়ে লাদাখ, খারদুংলা, লে, কারগিল হয়ে হানলে, উম্লিং-লা। পৃথিবীর সর্বোচ্চ পাস উম্লিং-লা’র উচ্চতা ১৯০২৪ ফুট। এখানকার পাথুরে পাহাড়ি সৌন্দর্য পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ।
খারদুংলা পাসে
প্রায় ১৭-১৮ দিন সময় লাগে বাইকে লাদাখ ঘুরতে। প্রত্যেক দিন গড়ে ৭০০-৮০০ কিমি বাইক চালাতে হয়। রাস্তা কেমন, তার উপর নির্ভর করে সফর কেমন হবে। অর্ণব বলেন, ‘‘রাস্তা এখন অনেক ভাল হয়েছে, তাই বাইক নিয়ে লাদাখ ভ্রমণ এখন অনেক সহজ। তবে ইচ্ছে হলেই যাওয়া যাবে তেমনটা নয়, যথেষ্ট প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে। বিশেষ করে উম্লিং-লা’র উচ্চতায় শ্বাসকষ্ট খুব স্বাভাবিক। দুর্গম রাস্তার জন্য অনেক সময়ে বাইক বন্ধ হয়ে যায়, তখন সেটিকে টেনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। সেই জন্য নিজেকে সুস্থ রাখা জরুরি। কম অক্সিজেনেও নিজেকে স্থির রেখে দুর্গম গিরি জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হয়। তবে এত কিছুর পরে যখন সর্বোচ্চ উচ্চতায় নিয়ে পৌঁছবেন, তখন শৃঙ্গ জয়ের যে অনুভুতি আর আনন্দ, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।’’
এই প্রতিবেদনটি 'আনন্দ উৎসব' ফিচারের একটি অংশ।
লাদাখের পথে- প্রস্তুতি ও নানা ঘটনা