Bladder Clinic

শিশুদের জন্য বিশেষ ব্লাডার ক্লিনিক, কী এর বিশেষত্ব? জানালেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ

মূত্রথলিতে বিভিন্ন কারণে নানান রোগ হতে পারে, কিন্তু যদি তা উপেক্ষা করা হয় তাহলে কিডনি খারাপ হয়ে যাওয়ার স্বভাবনা থাকে।

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো

শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ ১২:৫৯
Share:

মূত্রথলি সংক্রান্ত যেকোনও রোগের চিকিৎসায় ‘মণিপাল হাসপাতাল’, মুকুন্দপুরে রয়েছে ব্লাডার ক্লিনিক

কিডনির সমস্যার কারণে শিশুদের নানারকম শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি জন্মের আগে থেকেই কোনও কোনও শিশু কিডনি সংক্রান্ত সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে এবং রোগ বিশেষে তাদের চিকিৎসাও হয়। কিন্তু অনেকেই যেটা জানেন না মূত্রথলিতেও অনেক রকমের রোগ হতে পারে, যার কারণে পরোক্ষভাবে কিডনি খারাপ হতে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে সাম্প্রতিক এক আলোচনায় এই বিষয়ে বিস্তারিত জানান ‘মণিপাল হাসপাতাল’, মুকুন্দপুরের দুই অভিজ্ঞ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, ক্লিনিকাল লিড - পেডিয়াট্রিক সার্জারি এবং পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি, এমবিবিএস, এমএস (জেনারেল সার্জারি), এমসিএইচ (পেডিয়াট্রিক সার্জারি), ডিএনবি (পেডিয়াট্রিক সার্জারি), চিকিৎসক শুভাশিস সাহা এবং কনসালটেন্ট - পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজিস্ট, এমবিবিএস, এমডি, সিসিটি (পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি, ইউকে), ফেলোশিপ পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি (কানাডা), চিকিৎসক রাজীব সিংহ।

বিশদে জানতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:

দুই অভিজ্ঞ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসক শুভাশিস সাহা এবং রাজীব সিংহ, ‘মণিপাল হাসপাতাল’, মুকুন্দপুরের ব্লাডার ক্লিনিক নিয়ে আলোচনা করেন।

চিকিৎসক শুভাশিস সাহা বলেন মূত্রথলিতে বিভিন্ন কারণে নানান রোগ হতে পারে, কিন্তু যদি তা উপেক্ষা করা হয় তাহলে কিডনি খারাপ হয়ে যাওয়ার স্বভাবনা থাকে। তখন ডায়ালিসিস অথবা প্রতিস্থাপন ছাড়া উপায় থাকে না।

চিকিৎসক রাজীব সিংহ জানান শিশু হোক কিংবা বয়স্ক, মূত্রথলিতে সমস্যা হলে তার জন্য সকলকেই ভুগতে হতে পারে। মূত্রথলির মধ্যে যদি ব্লক থাকে, সেই ক্ষেত্রে প্রস্রাব ঠিক মতো বেরোয় না। এই ক্ষেত্রে চাপ বাড়ে এবং তা ওপরে গিয়ে কিডনিকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে কিডনি খারাপ হয়ে যেতে পারে। এই সমস্যাই যদি আগে ধরা পরে তাহলে কিডনিকে নষ্ট হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচানো সম্ভব।

শিশুদের রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিশেষ ব্যবস্থা। তাই মূত্রথলি সংক্রান্ত যেকোনও রোগের চিকিৎসা যাতে সফলভাবে হতে পারে তার জন্য ‘মণিপাল হাসপাতাল’, মুকুন্দপুরে রয়েছে ব্লাডার ক্লিনিক, যেখানে যুক্ত রয়েছেন চিকিৎসক শুভাশিস সাহা এবং রাজীব সিংহ।

এই ব্লাডার ক্লিনিকের বিশেষত্ব কী?

অনেক রকম পরিস্থিতির মধ্যে বাবা-মাকে পড়তে হয় যখন তা মানসিক চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। যেমন কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় শিশু প্রস্রাব ধরে রাখতে পারছে না, ক্রমাগত প্যান্টে হয়ে যাচ্ছে, রাতে বিছানায় করে ফেলছে। এটি একটি গুরুতর সমস্যা। কিন্তু এই রোগও দ্রুত সারিয়ে তোলা সম্ভব। মেডিকেল থেকে সার্জিকাল এই সব সমস্যারই চিকিৎসা ব্লাডার ক্লিনিকে হয়।

মূত্রথলির রোগ পরীক্ষা করার জন্য কিছু কিছু স্বাস্থ্যপরীক্ষা প্রয়োজন হয় যেমন ইউরোডায়নামিক স্টাডি, বড়দের জন্য এই পরীক্ষার ব্যবস্থা সব জায়গায় থাকলেও বাচ্চাদের জন্য এই পরীক্ষা প্রায় ৯৯ শতাংশ জায়গায় হয় না। তবে ‘মণিপাল হাসপাতাল’-এর ব্লাডার ক্লিনিকে এই স্বাস্থ্যপরীক্ষার ব্যবস্থা আছে।

বড়দের চিকিৎসার ক্ষেত্রে যা অভিজ্ঞতা বা জ্ঞান লাগে, ছোটদের ক্ষেত্রে কিন্তু তা সম্পূর্ণ আলাদা। এই ব্লাডার ক্লিনিকে বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিষেবা প্রদান করা হয় যা ভারতে খুব কম জায়গাতে উপলব্ধ। অপারেশনের ক্ষেত্রেও বড়দের ইউরোলজিস্ট যদি অপারেশন করেন তাহলে সেখানে জটিলতার সম্ভাবনা থাকে। সবমিলিয়ে ‘মণিপাল হাসপাতাল’, মুকুন্দপুরের ব্লাডার ক্লিনিক অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা অনন্য পরিষেবা নিশ্চিত করে।

এই প্রতিবেদনটি ‘মণিপাল হাসপাতাল’-এর সঙ্গে আনন্দবাজার ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন