‘টিউটোপিয়া স্মার্ট নোটস’
পড়াশোনার মানে ঠিক কী? ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পড়াশোনা মানে বই খুলে বসে থাকা, একই লাইন বার বার পড়া এবং মুখস্থ বিদ্যা পরীক্ষায় গিয়ে লিখে আসা।
তা হলে এত মুখস্থ করার পরেও কেন কিছু ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষার হলে গিয়ে ঠিকঠাক পড়া মনে রাখতে পারে না?
শিক্ষার্থীরা পরিশ্রম করে ঠিকই, কিন্তু সমস্যাটা ওদের চেষ্টার নয়, পড়ানোর ধরনের। গবেষণা অনুযায়ী, শুধু বই পড়ে মুখস্থ করলে তা মনে থাকার সম্ভাবনা কম। তার থেকে যদি কোনও বিষয় তারা বুঝে আয়ত্ত করে এবং চোখের সামনে বাস্তব উদাহরণ হিসেবে সেটি দেখে, তখন সেই বিষয় মনে রাখার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে কী ভাবে পড়াশোনাকে আরও সহজ করা যায়?
যে সব বিষয় আগে খুব কঠিন মনে হত, চোখের সামনে বিষয়গুলি ভিডিয়োয় ভেসে উঠলে, সেটাই অনেক সহজ হয়ে যায়। অঙ্ক বা বিজ্ঞান তো বটেই, সব বিষয়েই এই ভিজ়ুয়াল ব্যাখ্যা ছাত্র-ছাত্রীদের বিষয়টি সম্বন্ধে দ্রুত ধারণা তৈরি করতে সাহায্য করে।
ক্লাসের আগে একটু প্রস্তুতি, ফলাফল অনেক বেশি।
বিশদে জানতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:
এখন অনেক দেশে জনপ্রিয় কনসেপ্ট-ফার্স্ট পদ্ধতি। পড়াশোনার ক্ষেত্রে কী সুবিধা পাওয়া যায় এই পদ্ধতির মাধ্যমে?
ছাত্র-ছাত্রীরা ক্লাসে বসে প্রথমবার কোনও একটি বিষয় সম্বন্ধে শোনে না। আগে থেকেই তাদের সেই সম্বন্ধে ধারণা থাকে। এর পর ক্লাসে সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়, তার সঙ্গে হয় ডাউট ক্লিয়ারিং এবং প্রশ্নোত্তর।
ফলস্বরূপ দেখা যাচ্ছে, ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে বেশি আগ্রহী হয়, প্রশ্ন করে বেশি, তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠে এবং পড়াশোনা নিয়ে চাপ ও ভয় কমে। যে বিষয় সম্বন্ধে আগেই মনে একটা ধারণা তৈরি হয়ে গেছে, সেটাকেই আরও পোক্ত করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গ-সহ নানা জায়গা থেকে এখন অভিভাবকরা বলছেন, “শুধুমাত্র মোটা মোটা বই মুখস্থ করা নয়, পড়া যেন সহজভাবে মাথায় ঢোকে।” তাই তাঁরা বেছে নিচ্ছেন এমন সমাধান যেখানে সংক্ষিপ্ত নোট, ছবি-সহ ব্যাখ্যা, ছোট ছোট ভিডিয়ো এবং নিয়মভিত্তিক রিভিশন, সব এক জায়গায় পাওয়া যায়।
প্রাইভেট টিউশন বদলানো নয়, শিক্ষার পদ্ধতিটাকে বদলানোই এখন প্রধান লক্ষ্য।
কিন্তু কী ভাবে সম্ভব এই বদল?
পড়াশোনার ধারণাকে সহজ উপায়ে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে ‘টিউটোপিয়া’ নিয়ে এসেছে ‘টিউটোপিয়া স্মার্ট নোটস’।
কী বিশেষত্ব এই ‘টিউটোপিয়া স্মার্ট নোটস’-এর?
সহজ ভাষার নোট, সঙ্গে QR স্ক্যান করলেই অ্যানিমেটেড ব্যাখ্যা, কনসেপ্ট অনুযায়ী অনুশীলন এবং সঙ্গে মক টেস্ট, ছাত্র-ছাত্রীরা সব সুবিধা পাবে একসঙ্গে।
ক্লাসে পড়ানোর আগেই তাদের কাছে যে কোনও বিষয় হয়ে যায় চেনা এবং ক্লাসের পরে রিভিশন হয়। এই ব্যবস্থা অনেক বেশি ফলপ্রসূ। তাই আজকের প্রতিযোগিতার বাজারে বাচ্চা কতটা পড়ল সেটা নয়, অভিভাবকদের ভাবনা হওয়া উচিত তারা কতটা বুঝল।
নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য সঠিক পথ বেছে নেওয়ার আগে অভিভাবকদের ভাবা দরকার তাদের মাথায় পড়া সহজে ঢুকছে কিনা, বই - ভিডিয়ো টিউটোরিয়াল একসঙ্গে পাচ্ছে কিনা, তারা প্রস্তুত হয়ে ক্লাসে যেতে পারছে কিনা! কারণ যখন শেখার ধরন বদলায়, তখন রেজাল্টের সঙ্গে সঙ্গে বদলায় আপনার সন্তানের আত্মবিশ্বাসও।
এই প্রতিবেদনটি ‘টিউটোপিয়া’-র সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।