ক্যাম্পবেল উইলসন। ফাইল চিত্র।
ঝড়-ঝাপ্টা সামলাতে হলেও এয়ার ইন্ডিয়ার (এআই) ঘুরে দাঁড়ানোর যাত্রায় ছেদ পড়েনি, দাবি করলেন নিউজিল্যান্ড নিবাসী সিইও ক্যাম্পবেল উইলসন। গত জুনে আমদাবাদে সংস্থার ড্রিম লাইনার বিমান ভেঙে পড়ার পরের পর্ব সামলে মাথা তোলার এই চ্যালেঞ্জকে তকমা দিলেন ‘টেস্ট ক্রিকেটের পঞ্চম দিনের সকালের মতো’। সম্প্রতি দিল্লিতে মহারাজা এগ্জ়িকিউটিভ লাউঞ্জ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে তাঁর বার্তা, পরিষেবা উন্নত করতে মরিয়া এআই। তাই দ্রুত ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরেও এই লাউঞ্জ পরিষেবা শুরু করতে চলেছে সংস্থা।
এআইকে বিশ্বমানের উড়ান সংস্থা করতে ২০২২-এ ঘোষিত হয়েছিল বিহান এআই পরিকল্পনা। সূত্রের দাবি, পাঁচ বছরের লক্ষ্য নিয়ে পরিকাঠামো এবং কর্ম পদ্ধতিতে বদল আনা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যে বেঙ্গালুরুতে ১৩০০ কোটি টাকায় ১২টি বে যুক্ত বিমান রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামতির পরিকাঠামো তৈরি হচ্ছে। ১০ বছরে এয়ারবাসের ৫০০০ পাইলট জোগাতে গুরুগ্রামে প্রশিক্ষণ সংস্থাও খুলেছে এআই। বোয়িং, এয়ার বাস মিলে বরাত দেওয়া ৬০০ বিমানের মধ্যে মিলেছে প্রায় ১০০টি। বাকিগুলি আসতে ২০৩২ গড়িয়ে যেতে পারে। হাতবদলের পরে চার বছরের মাথায় গত মাসে সংস্থা প্রয়োজন অনুযায়ী সজ্জিত বোয়িং ৭৮৭-৯ শ্রেণির প্রথম উড়ান পেয়েছে।
সম্প্রতি হায়দরাবাদে উড়ান বিষয়ক আন্তর্জাতিক মেলা উইংসে আনন্দবাজারকে উইলসন জানান, বাড়তি বিমান হাতে এলেই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রুটগুলিতে পরিষেবা শুরু করতে চায় এআই। এতে কলকাতাও রয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘কলকাতা অবশ্যই আমাদের বিবেচনায় রয়েছে। তবে তার জন্য আরও বেশি বিমান হাতে আসা জরুরি।’’ সংস্থার দাবি, তার পরে দেশেও পরিষেবা বাড়বে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে