— প্রতীকী চিত্র।
প্রথমত মূল্যবৃদ্ধি। দ্বিতীয়ত কেনার আগ্রহের অভাব— এই দুয়ের জেরে গত এপ্রিলে কলকাতার পুর এলাকায় আবাসনের চাহিদা বেশ খানিকটা কমেছে বলে জানাল এই ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ সংস্থা নাইট ফ্র্যাঙ্ক। শুধু তা-ই নয়, দেখা গিয়েছে কমেছে মূলত ছোট আবাসনের চাহিদা। মাঝারি এবং বড়গুলির বরং একটু বেড়েছে। তবে সমীক্ষায় দাবি, এই দুই শ্রেণির হাত ধরে সার্বিক চাহিদা মাথা তোলে না বলেই গত মাসে কলকাতায় মোট আবাসন বিকিয়েছে গত বছরের এপ্রিলের থেকে ৬% আর মার্চের থেকে ৫% কম। নথিভুক্ত হয়েছে ৪৭৯৬টি। সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের দাবি, মধ্যবিত্তদের হাতে এই ধরনের সম্পত্তির পিছনে খরচ করার মতো পুঁজি কমে যাওয়া আর উচ্চবিত্তদের বেড়ে যাওয়ার ছাপ এই তথ্যে স্পষ্ট।
নাইট ফ্র্যাঙ্কের এমডি শিশির বৈজল অবশ্য বলেন, “গত বছরের এপ্রিলে এই শহরে অনেক বেশি আবাসন নথিভুক্ত হওয়ার কারণে এ বারের হার কম লাগছে। তবে বড় আবাসনের চাহিদা বেশ কিছু দিন ধরেই বাড়ছে, এটা ইতিবাচক।” তথ্য বলছে, এই সময়ে যেগুলি নথিভুক্ত হয়েছে তার মধ্যে ৫৯% জুড়ে ৫০০-১০০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটগুলি। যা এক বছর আগে ছিল ৪৩%। আর বিক্রির বাজারে ১০০০ বর্গফুটের থেকেও বড় ফ্ল্যাট বা বাড়ির অংশীদারি ৪% থেকে বেড়ে হয়েছে ১১%। কিন্তু ৫০০ বর্গফুটের থেকে ছোট আবাসনে তা ৫৩% থেকে নেমেছে ৩০ শতাংশে।
পূর্তি রিয়েলটির কর্ণধার মহেশ আগরওয়াল জানান, বহু ক্রেতা নিজেদের সুবিধার জন্য বড় আবাসনের দিকে বেশি ঝুঁকেছেন। আর মার্লিন গোষ্ঠীর সাকেত মোহতার দাবি, কাঁচামালের দাম এবং তার জেরে আবাসনের বৃদ্ধি সত্ত্বেও বহু ক্রেতার বড় আস্তানা পছন্দ হওয়া ইতিবাচক।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে