— প্রতীকী চিত্র।
বাজারে ডলারের চাহিদা কমিয়ে রেখে টাকার দরে স্থিরতা আনতে জোড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্র এবং রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক। এক দিকে এ জন্য আমদানি করা সোনা-রুপো বন্দর থেকে খালাস করার প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করা হয়েছে। উদ্দেশ্য, ব্যাঙ্কগুলি যাতে ওই দুই ধাতু আমদানির জন্য নতুন করে বরাত দিয়ে ডলার খরচ না করে, তা নিশ্চিত করা। অন্য দিকে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগারগুলিকে বলা হয়েছে, অশোধিত তেল আমদানির দাম চটজলদি মেটাতে তারা যেন নগদ বাজারে (স্পট মার্কেট) থেকে ডলার না কেনে। তার বদলে ধারের নথি দেখিয়ে তা কেনার পরামর্শ দিয়েছে শীর্ষ ব্যাঙ্ক। এই দুই পদক্ষেপে সাময়িক ভাবে হলেও ডলারের চাহিদা কিছুটা কমানো যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাতে বন্ধ হবে টাকার অবমূল্যায়ন। কেন্দ্র অবশ্য এ নিয়ে মুখ খোলেনি।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ শুরুর পরে এক সময়ে ডলারের দাম ছুঁয়েছিল ৯৫ টাকার মাইলফলক। পরে আরবিআই-এর একাধিক সিদ্ধান্তে তা এখন রয়েছে ৯৩ টাকার নীচে (৯২.৯১ টাকা)। এ দিকে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোনা আমদানিকারী দেশ। এখন তার দাম কমলেও, টাকার দরের পতন ধাতুটির আমদানি খরচ বাড়িয়েছে। যুদ্ধের কারণে বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেল রয়েছে ব্যারেলে ১০০-১০৫ ডলারে (শুক্রবার শান্তি ফেরার আশায় তা নেমেছে ৯০ ডলারে)। ভারতকে যেহেতু চাহিদার প্রায় ৮৫% তেলই আমদানি করতে হয়, তাই সে জন্যও ডলারের চাহিদা মাথা তুলছে।
সূত্রের খবর, এই অবস্থায় দেশের বিভিন্ন বন্দরে আমদানি করা ৫ টন সোনা ও ৮ টন রুপো আটকে রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীন ডিজিএফটি ছাড়পত্র না দেওয়ায় তা খালাস করতে পারছে না ব্যাঙ্কগুলি। ফলে তারা নতুন করে পণ্য দু’টি আমদানির বরাত দেওয়া বন্ধ রেখেছে। সরকার চাইছে সোনা আমদানি নিয়ন্ত্রণ করে ডলারের চাহিদায় রাশ টানতে। আবার বিকল্প ঋণের ব্যবস্থা (লাইন অব ক্রেডিট) করে সেই নথির ভিত্তিতে তেল আমদানি করা হলে দাম মেটানোর জন্য সময় মেলে। তাই তেল শোধনাগারগুলিকে সেই পথে হাঁটার পরামর্শ দিয়েছে আরবিআই।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে