Import-Export

আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে বিমার চাহিদা পূরণ করতে প্রকল্প তৈরি করল কেন্দ্র

জাহাজে পাঠানো পণ্যে বিমা করান আমদানি ও রফতানিকারীরা। জাহাজডুবির মতো দুর্ঘটনা বা অন্য কোনও কারণে সেগুলির ক্ষতি হলে অথবা ক্রেতা পণ্যের দাম না মেটালে, ওই বিমা সংস্থা ক্ষতির টাকা মেটায় রফতানি অথবা আমদানিকারীদের।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৫:৫১
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

পণ্য আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে বিমার সুবিধা নিশ্চিত করতে ‘ভারত মেরিটাইম ইনশিয়োরেন্স পুল’ (বিএমআই পুল) নামে একটি প্রকল্প চালু করল কেন্দ্র। শনিবার মন্ত্রিসভা এতে সায় দিয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, প্রকল্পটির মাধ্যমে আমদানি ও রফতানি করা পণ্যে বিমার দাবি মেটানোর ‘গ্যারান্টি’ দিল সরকার। তা কার্যকর করতে গড়া হয়েছে ১২,৯৮০ কোটি টাকার তহবিল।

জাহাজে পাঠানো পণ্যে বিমা করান আমদানি ও রফতানিকারীরা। জাহাজডুবির মতো দুর্ঘটনা বা অন্য কোনও কারণে সেগুলির ক্ষতি হলে অথবা ক্রেতা পণ্যের দাম না মেটালে, ওই বিমা সংস্থা ক্ষতির টাকা মেটায় রফতানি অথবা আমদানিকারীদের। একই ভাবে জাহাজ সংস্থাগুলিও তাদের জাহাজের বিমা করায়। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ শুরুর পরে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় বিমা সংস্থাগুলি পণ্য বা জাহাজের বিমা করতে অস্বীকার করছে। ফলে আমদানি-রফতানিকারীরা চূড়ান্ত সমস্যায় পড়েছে। তাঁদের পাশে দাঁড়াতেই এই প্রকল্প, দাবি কেন্দ্রের।

কী ভাবে ‘বিএমআই পুল’ প্রকল্প কাজ করবে? সাধারণত বিমা সংস্থাগুলি প্রকল্প বিক্রির পরে তার পুনর্বিমা করায়। এতে বিমার দাবি মেটানোর দায় বর্তায় পুনর্বিমা সংস্থাগুলির উপর, যেগুলি সাধারণত বিদেশি। যুদ্ধের কারণে তারাও পুনর্বিমা করতে অস্বীকার করছে। তাই আমদানি-রফতানিকারীদের সাহায্য করবে এই তহবিল। কেন্দ্র বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, বাণিজ্য পণ্যের সব রকমের যুদ্ধজনিত সামুদ্রিক ঝুঁকিই প্রকল্পের আওতায়। অর্থাৎ ভারতের আমদানি বা রফতানি পণ্যে বিমা করানোর পরে সমুদ্রে তার কোনও ক্ষতি হলে বিমা সংস্থাগুলিকে ক্ষতিপূরণের টাকা মেটানো হবে বিএমআই পুল প্রকল্পের তহবিল থেকে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন