রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। ফাইল চিত্র।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে মূল্যবৃদ্ধির মাথা তোলা প্রায় নিশ্চিত হওয়ায় চর্চা ছিল সুদ বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে। তবে শুক্রবার জুনের ঋণনীতির পর্যালোচনায় তা অপরিবর্তিতই রাখল রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক। ফলে রেপো রেট (যে সুদে আরবিআই ব্যাঙ্কগুলিকে ধার দেয়) রয়ে গেল ৫.২৫ শতাংশে। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে এই নিয়ে টানা দুই দফা স্থির রইল সুদের হার। তবে চলতি অর্থবর্ষের জন্য মূল্যবৃদ্ধির পূর্বাভাস আগের থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশের উপরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জোগান সঙ্কট থেকে জ্বালানির চড়া দাম বা বর্ষার ঘাটতির জেরে দামই যে এখন প্রধান উদ্বেগ, সে কথাও স্পষ্ট বলেছেন আরবিআই গভর্নর সঞ্জয় মলহোত্র। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এ বার সুদ বাড়ল না। তবে আগামী দিনে সুদ বৃদ্ধির ইঙ্গিত রয়েছে। শীর্ষ ব্যাঙ্কের বার্তা এবং পদক্ষেপের প্রেক্ষিতে তা একাধিক বার হতে পারে বলেও মনে করছেন তাঁরা।
একাংশের আবার দাবি, অগস্টের ঋণনীতিতেই সুদ বাড়তে পারে। তার আগে পরিস্থিতি আরও একটু যাচাই করার জন্য সময় নেওয়া হল। সুদ বদল নিয়ে নিজেদের অবস্থানও ‘নিউট্রাল’ রেখেছে আরবিআই। অর্থাৎ পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে। তবে শুধুমাত্র মূল্যবৃদ্ধির পূর্বাভাস বৃদ্ধি নয়, তারা আরও কমিয়ে দিয়েছে চলতি অর্থবর্ষে আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাসও। যা লগ্নিকারীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। ইন্ডিয়া রেটিংসের মুখ্য অর্থনীতিবিদ দেবেন্দ্র পন্থ বলেন, ‘‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে দেশের অর্থনীতি ইতিমধ্যেই জোগানের অভাব এবং চড়া জ্বালানি খরচের মুখে পড়েছে। তার উপর এই বছর বর্ষায় ঘাটতির আভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। পরিস্থিতি আরও একটু ঘোরালো হলে অগস্টের ঋণনীতির পর্যালোচনার আগেই সুদ বাড়াতে বাধ্য হতে পারে শীর্ষ ব্যাঙ্ক।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে