Electricity

প্রায় রোজই তৈরি হচ্ছে রেকর্ড, বিদ্যুতের চাহিদায় নজির গড়ছে দেশ

কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এতখানি চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে দেশে। কোথাও কোনও খামতি নেই। বরং এই চাহিদা আরও খানিকটা বাড়লেও সমস্যা হবে না, তা মেটানোর ক্ষমতা রয়েছে ভারতের।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২০ মে ২০২৬ ০৭:৪১
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

দেশ জুড়ে বাড়তে থাকা গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটছে বিদ্যুতের চাহিদা। মঙ্গলবার সেই চাহিদা নজিরবিহীন উচ্চতা ছুঁল। পরিসংখ্যান জানাল, এ দিন দুপুর ৩টে ৪০ নাগাদ গোটা দেশে তা এই প্রথম পৌঁছে গিয়েছে ২৬০.৪৫ গিগাওয়াটে। এর আগে সোমবার দুপুর ৩টে ৪২ নাগাদ বিদ্যুতের চাহিদা ২৫৭.৩৭ গিগাওয়াটে দাঁড়িয়ে নজির গড়েছিল। অর্থাৎ মাত্র এক দিনের মধ্যে একটি ভেঙে তৈরি হল আর একটি রেকর্ড।

কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এতখানি চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে দেশে। কোথাও কোনও খামতি নেই। বরং এই চাহিদা আরও খানিকটা বাড়লেও সমস্যা হবে না, তা মেটানোর ক্ষমতা রয়েছে ভারতের। উল্লেখ্য, সোম এবং মঙ্গলবারের আগে দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা দেখা গিয়েছিল গত ২৫ এপ্রিল। সে দিন তা পৌঁছেছিল ২৫৬.১ গিগাওয়াটে। বাড়তে থাকা চাহিদা মেটাতে একই সঙ্গে সৌর এবং বায়ু বিদ্যুতের মতো বিকল্পক্ষেত্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতও নজির তৈরি করেছে।

সরকারি সূত্রের অবশ্য দাবি, আগামী এক-দেড় সপ্তাহের মধ্যেই বিদ্যুতের এই বিপুল চাহিদা কমে যাবে। কারণ, তার মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বর্ষা ঢুকে পড়বে। ফলে কমবে প্রকৃতির উত্তাপ। যা বিদ্যুতের চাহিদা কমাবে। তবে চলতি বছরে এই তা সর্বোচ্চ ২৭০ গিগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে মনে করছে কেন্দ্র। বিদ্যুৎ মন্ত্রকের দাবি, প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহের জন্য তৈরি দেশও।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন