শুভেন্দু অধিকারী। — ফাইল চিত্র।
তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি আগামী দিনে শুভেন্দু অধিকারীর পথ অনুসরণ করতে পারেন। বিজেপি সাংসদ ধর্মপুরী অরবিন্দের বক্তব্যে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক শিবিরে। নিজ়ামাবাদের বিজেপি সাংসদের বক্তব্যে চর্চায় আরও ইন্ধন জুগিয়েছে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি মন্তব্যও। দিন কয়েক আগে হায়দরাবাদে এক অনুষ্ঠানে রেবন্তের উপস্থিতিতে তাঁর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছিলন, ‘‘আপনি (রেবন্ত) যেখানে পৌঁছতে চাইছেন, সেখানে পৌঁছতে পারবেন না... তার চেয়ে বরং আমার সঙ্গে যোগ দিন।’’
তেলঙ্গানায় কংগ্রেস এবং কংগ্রেস সরকারের ভবিষ্যৎ মোটেই সুখকর নয় বলে দাবি করেছেন বিজেপি সাংসদ অরবিন্দ। তাঁর যুক্তি, দলের অনেক প্রবীণ নেতাকে বঞ্চিত করে রেবন্তকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে। এটা কংগ্রেসের বড় রাজনৈতিক ভুল। ফলে সরকার এবং দলের অন্দরে অসন্তোষ ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে। এর পরেই নিজ়ামাবাদের সাংসদ বলেন, আগামী দিনে রেবন্ত পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মতোই দলত্যাগ করে গেরুয়া পার্টিতে যোগ দিতে পারেন। প্রসঙ্গত, বছর পাঁচেক আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত শুভেন্দু তৃণমূল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এ বারে নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বেই পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করেছে বিজেপি। অনেকেই মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালীন সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি-র সদস্য ছিলেন রেবন্ত। ফলে তাঁরসঙ্গে গৈরিক রাজনীতির একটি যোগসূত্র রয়েছে।
অরবিন্দের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে অনেকেই মনে করাচ্ছেন, সম্প্রতি হায়দরাবাদে এক অনুষ্ঠানে রেবন্তের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর একটি মন্তব্য। সেখানে মোদী বলেছিলেন, ‘‘আপনি (রেবন্ত) যেখানে পৌঁছতে চাইছেন, সেখানে পৌঁছতে পারবেন না... তার চেয়ে বরং আমার সঙ্গে যোগ দিন।’’ মন্তব্য না করলেও হেসেছিলেন রেবন্ত। অরবিন্দের দাবি, ‘‘আমি বিজেপির এক জন তৃণমূল স্তরের কর্মী। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা বলতে পারব না। শুভেন্দুর মতো কিছু ঘটতে চলেছে কিনা, তা-ও হলফ করে বলতে পারব না।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে