—প্রতীকী চিত্র।
দু’মাসের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফল। বৃহস্পতিবার চালু হয়ে গেল ভারতের প্রথম সমবায় পরিচালিত অ্যাপ ভিত্তিক গাড়ি ভাড়া করার পরিষেবা ‘ভারত ট্যাক্সি’। গোড়ায় দিল্লি-রাজধানী সংলগ্ন অঞ্চল এবং গুজরাতের রাস্তায় তার চাকা গড়াতে শুরু করেছিল। এ দিন অ্যাপ-ক্যাব পরিষেবাটি উদ্বোধনের পরে কেন্দ্রীয় সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহের দাবি, তিন বছরের মধ্যে সারা দেশে চালু হয়ে যাবে ভারত ট্যাক্সি।
এ দেশে অ্যাপ মারফত গাড়ি ভাড়া করার বাজার এখন উবর, ওলা, র্যাপিডোর মতো সংস্থার দখলে। সরকারি মহলের দাবি, তাদের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে এই সরকারি অ্যাপ-ক্যাব। কারণ, উবর-ওলাদের বিরুদ্ধে বহু দিন ধরেই চড়া ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। চাহিদা বেশি থাকার সময় ভাড়া বেড়ে যাওয়ার নীতি নিয়েও তিতিবিরক্ত যাত্রীরা। যার কোনওটাই ভারত ট্যাক্সির ক্ষেত্রে হবে না বলা হয়েছে।
শাহ জানিয়েছেন, সমবায় নির্ভর এই অ্যাপ ভিত্তিক পরিষেবায় সরাসরি মুনাফার ভাগ দেওয়া হবে ভারত ট্যাক্সির গাড়ি চালকের হাতে। সেই কারণেই তাঁদের কমিশন নেওয়ার কোনও প্রশ্ন নেই। চাহিদা যত বেশি তত বেশি টাকা নেওয়ার নিয়ম থাকছে না। ঠিক যে দু’টি কারণে ওলা-উবর সমেত এই ধরনের সংস্থাগুলির গাড়ি ভাড়া অত্যধিক চড়ে যায়। কেউ চাইলে ভারত ট্যাক্সিতে তিন চাকা ও বাইকও বুক করতে পারবেন। মহিলা আরোহীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তাঁদের বহনের জন্য থাকবেন মহিলা চালক।
‘মাল্টি-স্টেট কোঅপারেটিভ সোসাইটিস অ্যাক্ট, ২০০২’-এর আওতায় গত ৬ জুন শুরু হয় ভারত ট্যাক্সি। আটটি সমবায় সংস্থা মিলে তা তৈরি করেছে। সমবায় মন্ত্রকের দাবি, এটি বিশ্বের প্রথম এবং বৃহত্তম চালক-মালিকানাধীন গাড়ি বুক করার অ্যাপ। পরীক্ষামূলক ভাবে প্রকল্প চালু হওয়ার পর থেকে তিন লক্ষেরও বেশি গাড়ি চালক যুক্ত হয়েছেন তাতে। ১ লক্ষের বেশি ব্যবহারকারী নথিভুক্ত হয়েছেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে