—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
প্রাক্-বাজেট বৈঠকে রাজ্যের কাছে শিল্প নীতি, জমি নীতি, অর্থনৈতিক করিডর, স্বচ্ছ ল্যান্ড ব্যাঙ্ক, সরল নিয়ম এবং কর কাঠামোর মতো একাধিক দাবি জানাল শিল্প মহল। পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা করতে নতুন সরকারের কাছে তারা যে অনেকগুলি বিষয়ে নিশ্চয়তা চান, তা-ও স্পষ্ট করেছেন মঙ্গলবারের এই আলোচনায় উপস্থিত শিল্পকর্তারা। এ দিন শহরের বণিকসভা ও প্রধান সংগঠনগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে মুখোমুখি বসেছিলেন রাজ্যের অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব প্রভাত মিশ্র এবং কর বিভাগের কমিশনার খালিদ আনোয়ার। এখনও পর্যন্ত খবর, ২২ জুন হতে পারে রাজ্য বাজেট।
বৈঠকে বণিকসভা ভারত চেম্বারের আর্জি, ব্যবসায়ীদের দ্রুত জিএসটির টাকা ফেরত দিতে সময় বেঁধে দেওয়া হোক। চালু হোক স্বচ্ছ শিল্প নীতি এবং আর্থিক উৎসাহ প্রকল্প (ইনসেনটিভ পলিসি)। বিভিন্ন হস্তশিল্প, মিষ্টি এবং দুগ্ধজাত পণ্যের বিক্রেতারা বিদেশে এগুলির বাজার তৈরির ব্যাপারে সাহায্য চেয়েছেন। লজিস্টিক (পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থা) পার্ক, গুদাম, হিমঘর পরিকাঠামো, ডেটা কেন্দ্র, নদী পরিবহণ ব্যবস্থায় নজর দেওয়ার সওয়াল করেছেন অনেকে।
এ রাজ্যে শহরাঞ্চলে জমি অধিগ্রহণের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিল বিজেপি। এ দিন নির্মাণ শিল্পের সংগঠন ক্রেডাই বেঙ্গল দ্রুত সেই সংক্রান্ত নিয়ম প্রত্যাহারে জোর দিয়েছে। একাংশ বলেছেন জমির চরিত্র বদল কিংবা নাম বদলের প্রক্রিয়ায় গতি আনার কথা। আর্জি জানানো হয়েছে, আলাদা করে টাউনশিপ (উপনগরী) এবং সেই সংক্রান্ত জমি নীতির জন্য। কারণ, এ ক্ষেত্রে একলপ্তে অনেকটা জমি এবং বিভিন্ন ধরনের ছাড়পত্র লাগে। বস্তি এবং আবাসন পুনর্নিমাণেও পৃথক নীতি চেয়েছে শিল্প মহল।
মার্চেন্টস চেম্বারের আর্জি, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া ছাড়াও জাতীয় শিল্প করিডরে দ্রুত শামিল করা হোক বাংলাকে। শিল্পের জন্য ল্যান্ড ব্যাঙ্ক, সেই জমির জিপিএস ট্যাগিং, শিল্পতালুকগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নের আবেদনও করে তারা। বলে, হলদিয়া-কলকাতা মাল্টিমোডাল টার্মিনাল, হলদিয়া-কলকাতা শিল্প করিডর, দুর্গাপুর-আসানসোল ক্লাস্টার ও শিলিগুড়ি লজিস্টিক হাব তৈরির কথা। বৈঠকে উঠে এসেছে আধুনিক শিল্প এবং লজিস্টিক নীতি, ছাড়পত্র দিতে এক জানালা ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান এবং প্রশিক্ষণে সহায়তার কথাও।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে