—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
ভিত্তিবর্ষ বদলে হয়েছে ২০২৪। সেই নিরিখে গত মাসে দেশের খুচরো বাজারে মূল্যবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ২.৭৫%। এটাই কেন্দ্রের নতুন পদ্ধতিতে হিসাব করা খুচরো মূল্যসূচকের প্রথম পরিসংখ্যান। তাতে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হার ২.১৩%। মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরন বলেছেন, ‘‘মূল্যবৃদ্ধির নতুন সিরিজ় দেশের আর্থিক ও রাজস্ব নীতি প্রণয়নে ব্যবহৃত তথ্যের মান উন্নত করবে।’’ পুরনো হিসাবের ভিত্তিবর্ষ ছিল ২০১২। তার সাপেক্ষে গত বছরের জানুয়ারির মূল্যবৃদ্ধি ছিল ৪.২৬% আর গত ডিসেম্বরের ১.৩৩%।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত জাতীয় পরিসংখ্যান দফতরের নতুন হিসাবে মূল্যবৃদ্ধির হার বার করতে পণ্যের সংখ্যা আগের ২৫৯ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩০৮টি। আর পরিষেবা ৪০ থেকে বাড়িয়ে ৫০টি। খাদ্যের গুরুত্ব কমিয়ে, পরিষেবার বাড়ানো হয়েছে। খাদ্যের ভাগ নেমেছে ৩৬.৭৫ শতাংশে। মূল্যসূচকে যোগ হয়েছে ডিজিটাল বাজার এবং গ্রামীণ আবাসনের খরচ। ধরা হয়েছে জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি/পিএনজি), অনলাইন মিডিয়া পরিষেবা। টেলিফোন চার্জ, রেল ভাড়া, বিমান ভাড়া, জ্বালানি, ডাক চার্জ এবং স্ট্রিমিং পরিষেবার (ওটিটি সাবস্ক্রিপশন) তথ্যও নতুন হিসাবের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রয়েছে ব্যক্তিগত যত্ন, শিক্ষা পরিষেবা, পোশাক এবং বাসস্থান পরিষেবাও।
সরকারি সূত্রের দাবি, বাজারে দামের পরিস্থিতিকে আরও সঠিক ভাবে তুলে ধরতেই এই বদল। এর ফলে দেশে খরচের অভ্যাসের প্রকৃত ছবিও ধরা পড়বে। একাংশের মতে, আইএমএফ হিসাবের তথ্য ত্রুটিপূর্ণ বলায় বদল এত দ্রুত হল।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে