—প্রতীকী চিত্র।
কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (ডিয়ারনেস অ্যালাউন্স)। এর ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই বৃদ্ধি পায় মাসমাইনে। প্রশ্ন হল, আয়করের সঙ্গে কি সরাসরি সম্পৃক্ত থাকে ডিএ? রিটার্ন ফাইলে মহার্ঘ ভাতার বিষয়ে উল্লেখ করা কতটা জরুরি? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।
আইন অনুযায়ী, ডিএ-কে সরকারি কর্মচারীদের বেতনের অংশ হিসাবেই গণ্য করে থাকে কেন্দ্র বা রাজ্য। মাসমাইনের সঙ্গেই এই ভাতার অর্থ পেয়ে থাকেন তাঁরা। ডিএ-র টাকা যুক্ত হয় কর্মচারীর মূল বেতন বা বেসিক পে-র সঙ্গে, যা পুরোপুরি আয়করের আওতাধীন।
মহার্ঘ ভাতার জন্য আলাদা করে কোনও আয়কর নেই। মোট বেতনের নিরিখে বার্ষিক যে টাকা আয় হচ্ছে, তার থেকে কর নেয় সরকার। এর আবার একাধিক স্তরবিভাগ রয়েছে। সেই নিয়মেই করের টাকা জমা করবেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারি কর্মচারী। পৃথক ভাবে শুধু ডিএ-র জন্য কোনও কর দিতে হবে না তাঁকে।
আয়কর বিধি অনুযায়ী, রিটার্ন ফাইলে মহার্ঘ ভাতার বিষয়টি আলাদা করে উল্লেখ করা কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক। বর্তমানে দেশে নতুন এবং পুরনো, দু’টি করকাঠামো চালু রয়েছে। আয়কর রিটার্ন জমা করার সময় এর যে কোনও একটি বেছে নিতে পারেন তাঁরা।
কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা বছরে দু’বার ডিএ পেয়ে থাকেন। মূলত, সারা দেশের খুচরো মুদ্রাস্ফীতির সূচকের উপর ভিত্তি করে মহার্ঘ ভাতা পান তাঁরা। সাধারণ ভাবে প্রতি বছর মার্চ এবং অক্টোবরে এর হার নির্ধারণ করে কেন্দ্র। পরে জানুয়ারি এবং জুলাইয়ে কার্যকর হয় সেই মহার্ঘ ভাতা।
বর্তমানে ৫০ লক্ষ সরকারি কর্মচারী এবং ৬৫ লক্ষ অবসরপ্রাপ্তকে ডিএ দিচ্ছে কেন্দ্র। অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে আবার রয়েছেন প্রাক্তন সেনাকর্মীরাও। ১৮টি ভিন্ন ভিন্ন স্তরে এই আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন তাঁরা।