— প্রতীকী চিত্র।
সম্প্রতি মোদী সরকার সকলকে আশ্বস্ত করে দাবি করেছিল দেশে ৪৫ দিনের মতো এলপিজি (রান্নার গ্যাস) মজুত রয়েছে। ফলে এ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। বিরোধীদের অভিযোগ, মানুষকে বোকা বানাচ্ছে কেন্দ্র। সরকারি তথ্যেই স্পষ্ট, দেশের জ্বালানি সুরক্ষায় ঘাটতি রয়েছে। বেশি গ্যাস মজুতের পরিকাঠামো নেই। এক্স-এ কংগ্রেসের রণদীপ সিংহ সূরযেওয়ালার দাবি, কঠিন বাস্তবহল সরকারি হিসাবে ভারতের মোট এলপিজি মজুতের ক্ষমতা ১৬ লক্ষ টন। গ্যাসের প্রতিটি ট্যাঙ্ক ১০০% ভরা থাকলেও, তা দিয়ে বড়জোর প্রায় ১৭ দিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব। যা ৪৫ দিনের ধারেকাছেও নয়।
এই দোষারোপের মধ্যেই রবিবার সরকারি কর্তারা জানান, ২০,০০০ টন এলপিজি নিয়ে আরও একটি জাহাজ ভারতের উপকূলে ভিড়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কটের মধ্যে কাতার থেকে গ্যাস ভরে সেটি হরমুজ় প্রণালী পেরিয়ে গুজরাতে দীনদয়াল পোর্ট অথরিটি-তে পৌঁছেছে শনিবার রাতে। এই নিয়ে মার্চ থেকে দেশের ১২টি এলপিজি ও একটি অশোধিত তেলের ট্যাঙ্কার বহনকারী জাহাজ ফিরল।
সংশ্লিষ্ট মহলের অবশ্য দাবি, জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ থাকছেই। কারণ, সম্প্রতি ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজ আক্রান্ত হওয়ায় ঝুঁকি বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের ব্যারেলে ১০৯ ডলার। ফলে দামের চাপ অব্যাহত। রুশ তেল কেনায় নিষেধাজ্ঞায় ছাড়ের মেয়াদ বাড়ায়নি আমেরিকা। ভারতের মতো তেলে আমদানি নির্ভর দেশের পক্ষে যা চিন্তার। এ ছাড়া, দীর্ঘ মেয়াদে দেশে রান্নার গ্যাস মজুতের ক্ষমতা সীমিত বলে দাবি করেছে কিছু রিপোর্ট।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে