—প্রতীকী চিত্র।
নজিরবিহীন ভাবে একের পর এক শিখর ছোঁয়ার পরে সোনা-রুপো এখন উৎরাইয়ের পথে। তীব্র গতিতে পড়ছে দাম। তথ্য বলছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত কলকাতায় ১০ গ্রাম খুচরো পাকা সোনার (২৪ ক্যারাট) দাম কমেছে ২৪,৫০০ টাকা, খুচরো রুপোর কেজিতে ৬৬,৩০০। শুধু শুক্রবারের তুলনায় শনিবারেই সোনা সস্তা হয়েছে ৪৯০০ টাকা। দাঁড়িয়েছে ১,৪৫,১৫০ টাকায়। রুপো ১০,৭০০ টাকা পড়ে ২,২৬,৪০০।
বাজার মহলের বক্তব্য, সাধারণত নিরাপদ লগ্নি হিসেবে খারাপ সময়ে বরাবরই সোনা-রুপোর কদর বাড়ে। এর আগে ভূ-রাজনৈতিক সঙ্কটের সময় দাম উঠতে দেখা গিয়েছে। তবে এ বার পড়ছে ভূ-রাজনৈতিক সঙ্কটের জেরেই। মূলত তেল এবং ডলার লগ্নি টানছে। চাহিদা এবং দাম কমাচ্ছে সোনা-রুপোর। জ্বালানি এবং মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে চিন্তাও লগ্নিকমার একটি কারণ।
সোনা-রুপো লেনদেনকারীদের দাবি, ‘‘রাশিয়ার শীর্ষ ব্যাঙ্ক প্রচুর সোনা বাজারে ছেড়েছে। যে কারণে দাম এ ভাবে পড়ছে।’’ বিশেষজ্ঞেরা এটাও মনে করছেন, দুই দামি ধাতু অতিরিক্ত দ্রুত গতিতে চড়েছে। ফলে এই সংশোধন হওয়ারই ছিল। ঠিক যে ভাবে শেয়ার বাজার অনেকটা উপরে ওঠার পরে লগ্নিকারীদের মুনাফা তোলের জেরে বিভিন্ন শেয়ারের দর কিছুটা নেমে আসে। এতে বাজারে ভারসাম্য ফেরে। অল ইন্ডিয়া জেম অ্যান্ড জুয়েলারির ডোমেস্টিক কাউন্সিলের ডিরেক্টর সমর দে বলেন, ‘‘দাম কমার একাধিক কারণ আছে। বেশ কিছু দেশ সামরিক সরঞ্জাম কিনতে সোনা বিক্রি করছে। যেহেতু তেলের দাম প্রচুর বেড়ে গিয়েছে, তাই লগ্নিকারীদের নজর এখন সোনার বদলে তেলে গিয়ে পড়েছে। অস্থির সময়ে কেনাকাটা কম হচ্ছে, বিয়ের গয়নার চাহিদাও কম।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে