গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।
বিশ্ব জুড়ে সুদ কমানোর আবহ তৈরি হচ্ছে। দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে চড়া মূল্যবৃদ্ধিতে নাজেহাল হয়েছে বেশির ভাগ অর্থনীতি। পণ্যের দামকে বাগে আনতে সুদ বাড়াতে শুরু করে তারা। ২০২২-এর এপ্রিলে ভারতে রেপো রেট (যে সুদে ব্যাঙ্কগুলিকে ধার দেয় রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক) ছিল ৪%। মে মাস থেকে তা বাড়তে থাকে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে পৌঁছয়ে ৬.৫ শতাংশে। এই চড়া সুদ এখনও বহাল।
গত দেড় বছর ধরে টানা ন’টি ঋণনীতিতে রেপো স্থির রেখেছে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক। তারা বলেছিল, খুচরো মূল্যবৃদ্ধি ৪ শতাংশের নীচে না নামলে সুদ কমবে না। এই জুলাইয়ে সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে মূল্যবৃদ্ধি ৩.৫৪% হওয়ায়। ফলে জল্পনা, অক্টোবরে সুদ কমতে পারে। আরবিআই অবশ্য দেখতে চায় মূল্যবৃদ্ধির হার পাকাপাকি ভাবে কমছে কি না। এই পরিস্থিতিতে সবাই এখন অপেক্ষা করছেন অগস্টে তার হার জানার জন্য। সরকারি হিসাব বেরোবে আগামী বৃহস্পতিবার। এ বারও তা ৪ শতাংশের নীচে থাকলে সুদ কমানোর দাবি জোরালো হবে।
মূল্যবৃদ্ধি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদ কমিয়েছে ব্যাঙ্ক অব ইংল্যান্ড। ১৭-১৮ সেপ্টেম্বর বৈঠকে বসে আমেরিকার শীর্ষ ব্যাঙ্ক ফেডারাল রিজ়ার্ভও যে সুদ ছাঁটবে, সেটা মোটামুটি স্পষ্ট। এখন প্রশ্ন হল, কমবে কত? বাজারের অনুমান লাগাতার কয়েক দফায় তা করতে হবে তাদের। সে ক্ষেত্রে ভারত কী করে, সেটাই দেখার। সুদের তারতম্য হলে গোটা অর্থনীতিতে তার বিরাট প্রভাব পড়ে। সুদ কমলে কী হতে পারে, একবার চোখ রাখব তাতে—
(মতামত ব্যক্তিগত)
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে