— প্রতীকী চিত্র।
সারা দেশে কেন্দ্রের তৈরি চারটি শ্রমবিধি চালু হলেও বাদ ছিল শুধু পশ্চিমবঙ্গ। নতুন শ্রম আইন শ্রমিকদের স্বার্থহানি করবে, এই কারণ দেখিয়ে সেগুলির বিরোধিতা করে তৃণমূল সরকার। ট্রেড ইউনিয়নগুলির আশঙ্কা, এ বার রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এসে অচিরেই বলবৎ করবে বিধিগুলি। অধিকাংশ ইউনিয়নের বার্তা, সেই চেষ্টা হলেই ফের আন্দোলনে নামবে তারা।
কেন্দ্র নতুন আইনের নিয়ম তৈরি করেছে। তবে সে ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। সিটুর সাধারণ সম্পাদক তপন সেন বলেন, “পাঁচ রাজ্যে ভোটের জন্যই বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। এ বার হতে পারে। রাজ্যে শ্রমবিধিগুলি চালু করতে এখানেও আলাদা নিয়ম তৈরি করতে হবে। সেই চেষ্টা হলে ফের আন্দোলনে নামব।”
তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেসের সর্ব ভারতীয় সভাপতি দোলা সেন বলেন, “আমরা শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী শ্রমবিধির বিরুদ্ধে বলেই রাজ্যে নতুন আইনের নিয়ম তৈরি করিনি। এর পরে বিজেপি সরকার এসে তা করতে চাইলে আমরা পথে নামব।” ইউটিইউসির সাধারণ সম্পাদক অশোক ঘোষের বক্তব্য, “আশা করব, এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দু’বার ভাববে তারা। কারণ, রাজ্যের এই পালাবদলে শ্রমিকদের বড় ভূমিকা রয়েছে।’’ ইনটাকের রাজ্য সভাপতি কমারুজ্জামান কামারের মতে, শ্রমবিধি চালু হলে দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ করার অধিকার হারাবেন শ্রমিকেরা। নতুন আইনে তা সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা। ৩০০ পর্যন্ত কর্মী থাকলে সংস্থা বন্ধের জন্য সরকারের সায় লাগবে। আগে তা ছিল ১০০। এগুলি শ্রমিক স্বার্থবিরোধী। আইন সংশোধন করতে হবে। তবে বিএমএসের প্রাক্তন কর্তা রবীন্দ্র হিমতের মতে, শ্রমবিধি চালুর ক্ষেত্রে অন্যান্য রাজ্যে তাঁরা যে ভূমিকা পালন করেছেন, সেটা এখানেও করবেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে