ব্যক্তিগত ব্যবহারের গাড়ির বাজার ধরতে টাটার বাজি জেস্ট

বাজার চলতি পুরনো ধারণা ছেড়ে নতুন গাড়ির হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে টাটা মোটরস। সেই কৌশলে তাদের প্রথম বাজি চার মিটারের চেয়ে ছোট সেডান (কমপ্যাক্ট) ‘জেস্ট’, যেটির পেট্রোল মডেল উৎপাদনেই জোর দিচ্ছে সংস্থা। মঙ্গলবার কলকাতায় গাড়িটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করে সংস্থা। টাটা মোটরসের ডিজেল গাড়ির চাহিদাই বেশি। পাশাপাশি, ব্যক্তিগত গাড়ি হিসেবে বাজারে আনলেও ইন্ডিকা ও ইন্ডিগো পরবর্তী কালে বাণিজ্যিক গাড়ি হিসেবেই বেশি ব্যবহৃত হয়েছে এবং জোর দেওয়া হয়েছে ডিজেল গাড়ি তৈরির উপরেই। যদিও কিছু সংখ্যক পেট্রোল মডেলও উৎপাদিত হয়।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ অগস্ট ২০১৪ ০২:০৯
Share:

শহরে ‘জেস্ট’ প্রদর্শনে সংস্থার দুই কর্তা জন ও’কনোর ও রঞ্জিৎ যাদব (ডান দিকে)।

বাজার চলতি পুরনো ধারণা ছেড়ে নতুন গাড়ির হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে টাটা মোটরস। সেই কৌশলে তাদের প্রথম বাজি চার মিটারের চেয়ে ছোট সেডান (কমপ্যাক্ট) ‘জেস্ট’, যেটির পেট্রোল মডেল উৎপাদনেই জোর দিচ্ছে সংস্থা। মঙ্গলবার কলকাতায় গাড়িটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করে সংস্থা।

Advertisement

টাটা মোটরসের ডিজেল গাড়ির চাহিদাই বেশি। পাশাপাশি, ব্যক্তিগত গাড়ি হিসেবে বাজারে আনলেও ইন্ডিকা ও ইন্ডিগো পরবর্তী কালে বাণিজ্যিক গাড়ি হিসেবেই বেশি ব্যবহৃত হয়েছে এবং জোর দেওয়া হয়েছে ডিজেল গাড়ি তৈরির উপরেই। যদিও কিছু সংখ্যক পেট্রোল মডেলও উৎপাদিত হয়।

কিন্তু সময় বদলাচ্ছে। ডিজেল ও পেট্রোলের দামের ফারাক কমে আসায় ফের বাড়ছে পেট্রোল গাড়ির চাহিদা। ব্যক্তিগত গাড়ি হিসেবে ব্যবহারের জন্য নিত্য-নতুন গাড়ি আনছে বহুজাতিক সংস্থাগুলিও। যেগুলিতে বিনোদনের নানা সম্ভার-সহ বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে ক্রেতা টানার দৌড়ে নেমেছে তারা। এর জেরে যাত্রী গাড়ির বাজারে এক সময়ে তৃতীয় স্থানে থাকলেও এখন টাটারা নেমে এসেছে পঞ্চমে। ক্রমশ কমছে বাজারে তাদের অংশীদারি। তাই এ বার নতুন ভাবে বাজার ধরতে নেমেছে টাটা মোটরস। সংস্থার প্রেসিডেন্ট (যাত্রী গাড়ি) রঞ্জিৎ যাদবও মানছেন, পেট্রোল গাড়ির বাজারে তাঁরা কিছুটা পিছিয়ে। এ বার যা ধরতে আগ্রহী তাঁরা।

Advertisement

ব্যক্তিগত গাড়ি হিসেবে জেস্ট-কে বাজারে প্রতিষ্ঠিত করতে একগুচ্ছ সুবিধা দিচ্ছে সংস্থা। তাদের দাবি, গাড়িটিতে যে-প্রযুক্তির ইঞ্জিন (টার্বো-চার্জড) থাকছে, তা সাধারণত আরও দামি গাড়িতে থাকে। আছে বিনোদন ও তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক ব্যবস্থা। কলকাতায় গাড়িটির দাম পড়বে পেট্রোল ৪.৮২-৬.২১ লক্ষ ও ডিজেল ৫.৮৭-৭.২৬ লক্ষ টাকা। ডিজেলের একটি মডেলে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাও মিলবে। জেস্টের পরে শীঘ্রই বাজারে আসবে তাদের নতুন ছোট গাড়ি (হ্যাচব্যাক) বোল্ট। এ ছাড়া ২০২০ পর্যন্ত বছরে দু’টি করে নতুন গাড়ি আনার কথাও ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement