প্রত্যাশা মতোই গাড়ির দাম বাড়ানোর কথা ঘোষণা করল টাটা মোটরস। সংস্থা জানিয়েছে, দাম বাড়ছে ২,০০০ টাকা থেকে ৩৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। বিভিন্ন গাড়ির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পরিকাঠামো সেসের হিসাব ধরেই এই দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে তাদের দাবি। এই বৃদ্ধি অবিলম্বে কার্যকর হবে। সোমবারই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বাজেটে পরিকাঠামো সেস (ছোট পেট্রোল, এলপিজি এবং সিএনজি-চালিত গাড়িতে ১%, কিছু ডিজেল গাড়িতে ২.৫%, বড় ডিজেল গাড়ি ও এসইউভি-তে ৪%) বসানোর কথা বলেছেন। এ ছাড়া ১০ লক্ষ টাকার দামি গাড়ির (লাক্সারি কার) ক্ষেত্রে আরও ১% কর বসানোর কথাও বলা হয়েছে। তার পরই বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছিল এর ফলে আগামী দিনে বাড়বে দাম।
এ দিকে, সদ্য শেষ হওয়া ফেব্রুয়ারি মাসেও মিশ্র ফল দেখা গেল দেশে যাত্রী গাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রে। হরিয়ানায় জাঠ বিক্ষোভের জেরে বন্ধ রাখতে হয় মারুতি-সুজুকির কারখানা। ফলে উৎপাদন কম হয়েছে ১০ হাজারেরও বেশি। এই সব কারণ সত্ত্বেও, গত মাসে সামান্য বিক্রি বেড়েছে বলে জানিয়েছে মারুতি। ১,০৭,৮৯২টি থেকে বেড়ে হয়েছে ১,০৮,১১৫টি। বিক্রি কমেছে অল্টো, ওয়াগন-আরের মতো তাদের ছোট গাড়ির। তবে তা বেড়েছে সুইফট, এস্টিলো, রিৎজ, ডিজায়ার, ব্যালেনোর।
হুন্ডাই মোটরের বিক্রি এই সময়ে বেড়েছে ৯.১ শতাংশ। দাঁড়িয়েছে ৪০,৭১৬টিতে। জাঠ বিক্ষোভে হরিয়ানা-সহ সমগ্র উত্তর ভারতে পণ্য সরবরাহে সমস্যার কারণে কর্ম দিবস নষ্ট হলেও, তার প্রভাব বিক্রিতে সে রকম পড়েনি বলেই জানিয়েছে তারা। অন্য দিকে, এই সময়ে মহীন্দ্রা অ্যান্ড মহীন্দ্রার বিক্রি বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১৮ শতাংশ। যাত্রী এবং বাণিজ্যিক দু’ধরনের গাড়ির ক্ষেত্রেই ভাল বৃদ্ধি হয়েছে বলে তাদের দাবি। কুইডের হাত ধরে বিক্রি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে রেনোর। বিক্রি বাড়াতে সক্ষম হয়েছে ফোর্ডও।
তবে এ সবের মধ্যেও ফেব্রুয়ারিতে বিক্রি কমেছে টাটা মোটরসের। সংস্থা জানিয়েছে যাত্রী গাড়ির বিক্রি ২০ শতাংশ কমে হয়েছে ১০,৯৬২টি। বিক্রি কমেছে হোন্ডা কারস এবং টয়োটা কির্লোস্করেরও।