— প্রতীকী চিত্র।
বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পেট্রল-ডিজ়েলে খরচ কমানোর আর্জি জানিয়েছিলেন দেশের মানুষের কাছে। কিন্তু তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। সরকারের শীর্ষকর্তারা টের পাচ্ছেন, দেশে যত বিদেশি লগ্নি আসছে, তার থেকে বেশি বিদেশি মুদ্রা বেরিয়ে যাচ্ছে। ফলে ডলারের তুলনায় টাকার দর পড়ছে। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি এর একমাত্র কারণ নয়। এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় দেশে বিদেশি লগ্নি টানতে এ বার দ্রুত পদক্ষেপ করার কথা ভাবছে অর্থ মন্ত্রক। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকা হয়েছে। তার পরেই এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা হবে কি না, তা নিয়ে শিল্প মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, খুব দ্রুত বিদেশি লগ্নির আমদানি বাড়াতে পদক্ষেপ করবে কেন্দ্র। বিদেশি মুদ্রা বেরিয়ে যাওয়ায় রাশ টানার চেষ্টা হতে পারে।
রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-এর মার্চে দেশে যত বিদেশি লগ্নি এসেছে, তার থেকে ১১৭০ কোটি ডলার বেশি বেরিয়েছে। প্রধান কারণ, যতটা বিদেশি প্রত্যক্ষ লগ্নি বেরিয়েছে, তার থেকে ১৬০ কোটি ডলার বেশি এসেছে। কিন্তু শেয়ার বাজারে যে বিদেশি লগ্নি এসেছে, তার থেকে ১৩৩০ কোটি বেশি চলে গিয়েছে। এতেবিদেশি মুদ্রার ভান্ডারে চাপ পড়েছে। তার প্রভাব পড়েছে টাকার দামে।
বণিকসভা সিআইআই-এর সুপারিশ ছিল, বেশি বিদেশি লগ্নি টানতে প্রত্যক্ষ বিদেশি লগ্নির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী লাভ করে ছাড় দেওয়া হোক। সরকারি সূত্রের খবর, শেয়ার বা সরকারি ঋণপত্রে ওই লগ্নির ক্ষেত্রে মূলধনী লাভ কর কমানো হতে পারে। সরকারি ঋণপত্রে সুদ বাবদ আয়েও কর ছাড় দেওয়া হতে পারে। তবে দু’ক্ষেত্রেই সময়সীমা বাঁধা হবে।
ডলার সাশ্রয়ের জন্য বিদেশ সফর কমানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন মোদী।সরকারি সূত্রের খবর, শিক্ষা, বেড়ানো, বিদেশে লগ্নি ও সম্পত্তি কিনতে বিদেশে টাকা পাঠানোর উপরেও কমানো হতে পারে ঊর্ধ্বসীমা। এখন সীমা বছরে ২.৫ লক্ষ ডলার। সাময়িক ভাবে তা নামতে পারে আরও কিছুটা।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে