— প্রতীকী চিত্র।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের মধ্যেই বল্টিক এবং কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার একাধিক বন্দরে ড্রোন হামলা করল ইউক্রেন। আন্তর্জাতিক সংগঠন আইইএ-র সতর্কবার্তা, ওই বন্দরগুলি দিয়েই মূলত রাশিয়া থেকে তেল আনে ভারত। ফলে দেশে প্রভাব পড়তে পারে। রুশ তেল আসা কমলে শোধনাগারগুলি চাপে পড়বে। বাড়তেপারে তেলের খুচরো দামও। ইরান যুদ্ধে তৈরি হওয়া জ্বালানি সঙ্কট যুঝতে এক মাসের জন্য রুশ তেল কেনার অনুমতি দিয়েছে আমেরিকা। জ্বালানি উপদেষ্টা কেপলারের দাবি, দিনে প্রায় ২০ লক্ষ ব্যারেল কেনা হচ্ছিল।
সূত্রের দাবি, ভোটের কারণে এখন দেশে তেলের দাম বাড়ছে না। কিন্তু মে মাসে বাড়তে পারে। কারণ, পেট্রলের লিটারে ১৮ টাকা এবং ডিজ়েলে ৩৫ টাকা ক্ষতি হচ্ছে বলে খবর। গত মাসে তিন রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থার দৈনিক ক্ষতি হচ্ছিল ২৪০০ কোটি টাকা। এখন কমে হয়েছে ১৬০০ কোটি। কেন্দ্রের তরফে মঙ্গলবার জানানো হয়েছে, তেল ও গ্যাস আমদানি নিয়ে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। আপাতত চাহিদার সবটাই হাতে রয়েছে। অবস্থা নিয়ন্ত্রণে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে