—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
ভূ-রাজনৈতিক সঙ্কটের আবহে যখন নতুন করে দেশে বেকারত্বের হার মাথা তুলতে পারে বলে সতর্ক করছে বিভিন্ন উপদেষ্টা সংস্থা, তখন আশঙ্কা বাড়াল সরকারি পরিসংখ্যান। দেখা গেল, গত মাসে ১৫ বছর বা তা বেশি বয়সিদের মধ্যে হাতে কাজ না থাকা মানুষের হার আবার পাঁচ শতাংশের উপরে উঠেছে।
বুধবার সরকারি হিসেবে অবশ্য দাবি, বেকারত্ব বৃদ্ধির হার নামমাত্র। ফেব্রুয়ারিতে তা ছিল ৪.৯%। মার্চে হয়েছে ৫.১%। তবে সেই সঙ্গে এটাও বলা হয়েছে, এর জন্য দায়ী মূলত শহরাঞ্চলে বহু মানুষের কর্মহীন রয়ে যাওয়া। যা পৌঁছে গিয়েছে ৭ শতাংশের কাছে। ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৬.৬%। এই হিসেবও উদ্বেগজনক বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। তার উপর শহরে মহিলাদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৯%, পুরুষদের ক্ষেত্রে ৬ শতাংশের বেশি।
তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান মন্ত্রকের আওতাভুক্ত জাতীয় পরিসংখ্যান দফতরের প্রকাশিত ‘পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভে’ (পিএলএফএস) রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, মার্চে দেশে পুরুষ এবং মহিলা, দুই শ্রেণির মধ্যেই বেকারত্ব ফেব্রুয়ারির থেকে বেড়েছে। গ্রাম, শহর আলাদা করে ধরলেও একই ছবি। যদিও একাংশের দাবি সেই বৃদ্ধি অতি সামান্য। তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই মতে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে যে তা আরও বাড়বে না, তার নিশ্চয়তা নেই। ফলে চিন্তা বাড়ল।
দেশে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সিদের মধ্যে সার্বিক ‘লেবার ফোর্স পার্টিসিপেশন রেট’ অর্থাৎ যাঁরা কাজে আছেন বা কাজ খুঁজছেন, তাঁদের হারও ফেব্রুয়ারির ৫৫.৯% থেকে অল্প কমে হয়েছে ৫৫.৪%। গ্রামে তা একটু কম। মাথা নামিয়েছে মহিলাদের ক্ষেত্রেও।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে